সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে ৯৪.৮% নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া: স্ট্রাটেজি এন্ড পলিসি ফোরামের গবেষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৮:৫৭ এম
শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে ৯৪.৮% নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া: স্ট্রাটেজি এন্ড পলিসি ফোরামের গবেষণা
50

একটি সম্প্রতি প্রকাশিত গবেষণায় উঠে এসেছে যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ফোনকল ও অন্যান্য বক্তব্য নিয়ে অনলাইনে ৯৪.৮% নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৫.২% প্রতিক্রিয়া ছিল ইতিবাচক। এই গবেষণা বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতি জনমত কতটা নেতিবাচক তা পরিস্কারভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

স্ট্রাটেজি অ্যান্ড পলিসি ফোরাম (SPF) পরিচালিত এই গবেষণায় প্রধান আলো, কালবেলা নিউজ, এটিএন নিউজসহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম এবং ইউটিউব চ্যানেল থেকে শেখ হাসিনার ফোনালাপ ও বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ করা হয়। গবেষকরা ‘ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং’ (NLP) প্রযুক্তির মাধ্যমে অনলাইনে প্রকাশিত মন্তব্যগুলো সংগ্রহ করে সেগুলির সেন্টিমেন্ট (মনোভাব) নিরূপণ করেছেন। এই পদ্ধতির মাধ্যমে নেতিবাচক, ইতিবাচক এবং নিরপেক্ষ মন্তব্যগুলোর বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

গবেষণায় উঠে এসেছে যে, অধিকাংশ অনলাইন ব্যবহারকারী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতি নেতিবাচক এবং ঘৃণাত্মক মন্তব্য করেছেন, যা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জনগণের হতাশা ও অসন্তোষের ইঙ্গিত হতে পারে। বিশেষত, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফোনকল এবং অন্যান্য বক্তব্যে নাগরিকদের অস্থিরতা ও জনমানসে সরকারের প্রতি অনাস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

স্ট্রাটেজি অ্যান্ড পলিসি ফোরামের পরিচালক(মার্কেটিং) মো: মেহেদী হাসান মন্তব্য করেছেন, “এই গবেষণা জনগণের মনোভাবের একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরেছে। শেখ হাসিনার ফোনকল ও বক্তব্যের প্রতি যে ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া এসেছে, তা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জনগণের অভ্যন্তরীণ ক্ষোভের প্রতিফলন।”

এছাড়া, ফোরামের পরিচালক(গণসংযোগ) , মাহবুব নাহিদ বলেন, “আমরা এই গবেষণার মাধ্যমে জানাতে চাই, শেখ হাসিনার সাথে আর কোনো জনসমর্থন নাই। তবে তার কথা বলা বলা বন্ধ করা দরকার। সরকারের পক্ষ থেকে যদি এই বিষয়ে কোন কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে জনগণের ক্ষোভ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। সরকারের কুটনৈতিকভাবে মোকাবেলা করা উচিত। “

গবেষণায় উঠে এসেছে যে, নেতিবাচক প্রতিক্রিয়াগুলির মধ্যে বেশিরভাগ মন্তব্যই শেখ হাসিনার প্রতি অসন্তোষ, দুর্নীতি, এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ার বিষয়গুলো নিয়ে। এমনকি বেশ কিছু মন্তব্যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি প্রশ্ন উঠেছে, যা দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সুশাসনের অভাবকে তুলে ধরছে।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।