রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩

বিচারের আগেই শাস্তি: নির্দোষ দিলীপের ১০ মাসের কারাবাস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫, ৯:০০ পিএম
বিচারের আগেই শাস্তি: নির্দোষ দিলীপের ১০ মাসের কারাবাস
440

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে ভূমিকা রাখার পরও মামলাবাণিজ্যের শিকার হয়ে আটকের পর প্রায় ১০ মাস ধরে কারাগারে আছেন দেশের শীর্ষ জুয়েলারি ব্যবসায়ী দিলীপ কুমার আগরওয়ালা।

দিলীপের মতো শীর্ষ শিল্পোদ্যোক্তাদের একের পর এক মিথ্যা অভিযোগে মামলা দিয়ে হয়রানি করায় দেশের ব্যবসায়ীদের ব্যবসা হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের একাধিকবারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালার দেশীয় অর্থনীতিতে অবদান কম নয়। দেশের স্বর্ণ ব্যবসার নীতিমালা প্রণয়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সব সময় দেশের সব দুর্যোগে বিপন্ন মানবতার পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। তাঁর মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত তারা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বহুদিন ধরে চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর অঞ্চলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছেন। টিউশন ফি রিবেট, বিজ্ঞান পরীক্ষাগার নির্মাণ, অসহায়দের গৃহ-নির্মাণ, মিড-ডে মিল, বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস প্রদানের মতো বিস্তৃত সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। কভিড মহামারিতে রাজধানীসহ চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া ও মেহেরপুরে তিনি নিয়মিত আর্থিক সহায়তাসহ মাস্ক, পিপিই, স্যানিটাইজার বিতরণ করেন।

দিলীপ একা নন, তাঁর মতো সারা দেশের শত শত ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা অভিযোগে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানি ও গ্রেপ্তারে ধস নেমেছে ব্যবসাবাণিজ্যে। অনেক ব্যবসায়ী পথে বসেছেন। জানা গেছে, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের কর্ণধার দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর রাতে তাঁর গুলশানের অফিস থেকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন। ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, দিলীপ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে ছিলেন। কোনো অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। শুধু ব্যবসায়িক শত্রুতা ও প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাঁকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাধিক হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে। ব্যবসায়িকভাবে তাঁকে নিঃস্ব করার উদ্দেশ্যেই সংশ্লিষ্ট মামলাবাজরা প্রায় সব ক্ষেত্রেই বাদীর অজান্তেই দিলীপের নাম আসামির তালিকায় ঢুকিয়ে দিয়েছে। কর্মীরা জানান, তিনি কোনোভাবেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরোধী ছিলেন না। বরং তাঁর নির্দেশে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্রদের খাবার, পানীয় ও ছাতা সরবরাহ করেছেন। এরপরও দিলীপের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় মামলা করা হয়েছে।

এরকম শত শত ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তা এখন মিথ্যা অভিযোগের মামলায় জেল-জরিমানার মুখে। তাঁদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ধুঁকছে। কর্মীরা চাকরি হারাচ্ছেন। শীর্ষ জুয়েলারি ব্যবসায়ী দিলীপ কুমার আগরওয়ালা দীর্ঘ তিন বছরেরও অধিক সময় ধরে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও কিডনিজনিত সমস্যায় ভুগছেন। তিনি দেশের পাশাপাশি বিদেশেও নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। সম্প্রতি জেলখানায় পুরোনো রোগের পাশাপাশি আরও একাধিক জটিল রোগে গুরুতর অসুস্থ দিলীপের চিকিৎসা গ্রহণও জরুরি হয়ে পড়েছে। বারবার তাঁর জামিনের আবেদন করা হলেও তাতে সাড়া মিলছে না। এতে তাঁর পরিবার ও ব্যবসায়ী মহল উদ্বিগ্ন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, দিলীপ কুমার আগরওয়ালা দেশের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী। তিনি পাঁচবার বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) নির্বাচিত হয়েছেন, খুলনা বিভাগ থেকে সেরা করদাতা নির্বাচিত হয়েছেন টানা ৯ বার। দিলীপের মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সব কর্মীও নিয়মিত কর পরিশোধ করে দেশ গঠনে ভূমিকা রেখে চলেছেন। দিলীপ কুমার আগরওয়ালার সরাসরি হস্তক্ষেপ ও তদারকি ছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ইতিপূর্বে কারাগারে গুরুতর অসুস্থ হলে আদালত তাঁকে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার নির্দেশনা দেন। উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও কিডনিজনিত রোগে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। কিন্তু কারা কর্তৃপক্ষ তাঁর চিকিৎসা সম্পন্ন না করেই কয়েক দিন পর তাঁকে কারাগারে ফিরিয়ে নেয়। ফলে বর্তমানে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছেন দিলীপ। শারীরিক অসুস্থতা বিবেচনায় এবং দেশের শিল্প তথা ব্যবসাবাণিজ্যের স্বার্থে তাঁকে মিথ্যা অভিযোগের মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে অবিলম্বে জামিনে মুক্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন তাঁর প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা এবং তাঁর পরিবার।

সৌজন্যে বাংলাদেশ প্রতিদিন

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।