রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের বড় ৭ পদক্ষেপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৫, ৪:৫৩ এম
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের বড় ৭ পদক্ষেপ
48

কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সাতটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। নরেন্দ্র মোদির সরকার এ হামলায় আন্তঃসীমান্ত সংযোগ নিয়ে অভিযোগ করার পর পাঁচটি পদক্ষেপ ঘোষণা করেছিল। বৃহস্পতিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির সঙ্গে আলোচনার পর আরও দুটি পদক্ষেপের ঘোষণা আসে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুসারে পদক্ষেপগুলো হলো-

  • ভারত ১৯৬০ সালের সিন্ধু পানিচুক্তি তাৎক্ষণিকভাবে স্থগিত করেছে। মোদির সরকার জানিয়েছে, পাকিস্তান বিশ্বাসযোগ্যভাবে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদে সমর্থন বন্ধ না করলে এটি স্থগিত থাকবে।
  • বুধবার আত্তারি সমন্বিত চেকপোস্টটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে যারা অনুমোদন নিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করেছেন তাদের ১ মে-এর আগে ওই পথ দিয়ে ফিরে আসার সুযোগ থাকবে।
  • পাকিস্তানি নাগরিকদের সার্ক বিশেষ ভিসার আওতায় ভারতে ভ্রমণের অনুমতি দেবে না। পাকিস্তানি নাগরিকদের পূর্বে জারি করা ওই ক্যাটাগরির ভিসা বাতিল করা হয়েছে। এ ভিসাধারী সকল পাকিস্তানিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভারত ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।
  • নয়াদিল্লিতে পাকিস্তানি হাইকমিশনের প্রতিরক্ষা/সামরিক, নৌ ও বিমান উপদেষ্টাদের অবাঞ্ছিত ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং দেশত্যাগের জন্য এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। ভারত ইসলামাবাদে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে তাদের প্রতিরক্ষা কর্মীদের প্রত্যাহারের ঘোষণাও দিয়েছে।
  • হাইকমিশনে কর্মকর্তার সংখ্যা ৫৫ থেকে কমিয়ে ৩০ জনে আনা।
  • ভিসানীতি আরও কড়াকড়ি করেছে ভারত। তাৎক্ষণিক এক সিদ্ধান্তে পাকিস্তানি নাগরিকদের সব ভিসা স্থগিত করা হয়েছে। সব পাকিস্তানি নাগরিককে ২৭ এপ্রিলের মধ্যে ভারত ত্যাগ করতে বলেছে। তবে যাদের মেডিকেল ভিসা আছে তারা কেবল ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত থাকতে পারবেন।
  • সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) পাঞ্জাবের আটারি, হুসেইনিওয়ালা এবং সাদকিতে রিট্রিট অনুষ্ঠানের সময় আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনী কমিয়ে আনার জন্য একটি সুপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূল পরিবর্তনগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারতীয় গার্ড কমান্ডারের সঙ্গে প্রতিপক্ষ গার্ড কমান্ডারের প্রতীকী করমর্দন স্থগিত করা। অনুষ্ঠানের সময় গেটগুলো বন্ধ থাকবে। এই পদক্ষেপটি আন্তঃসীমান্ত শত্রুতা সম্পর্কে ভারতের গুরুতর উদ্বেগকে প্রতিফলিত করে এবং পুনরায় নিশ্চিত করে যে শান্তি এবং উসকানি একসঙ্গে চলতে পারে না। বিএসএফের ভাষ্য এটি।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।