বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

নম্বর ওয়ানকে সাবালেঙ্কাকে কাঁদিয়ে ফ্রেঞ্চ ওপেনের ‘নতুন রানি’ গফ

প্রতিনিধিঃসিফাত প্রকাশিত: রবিবার, ৮ জুন, ২০২৫, ১১:২২ এম
নম্বর ওয়ানকে সাবালেঙ্কাকে কাঁদিয়ে ফ্রেঞ্চ ওপেনের ‘নতুন রানি’ গফ
49

ফাইনালে প্রতিপক্ষ বিশ্বের এক ও দুই নম্বর খেলোয়াড়। দুজনই ছিলেন ফ্রেঞ্চ ওপেনের প্রথম শিরোপার সন্ধানে। তিন সেট আর ২ ঘনটা ৩৮ মিনিটের লড়াই শেষে হাসি ফুটল দুই নম্বরের মুখেই। বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় এরিনা সাবালেঙ্কাকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ফ্রেঞ্চ ওপেনের ট্রফি দখলে নিলেন কোকো গফ।

২১ বছর বয়সী মার্কিন তারকা কোকো গফের এটি দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্লাম। এরিনা সাবালেঙ্কার বিপক্ষে ফাইনালে তার জয়ের ব্যবধান ৬-৭ (৫/৭), ৬-২ ও ৬-৪ গেমে।


গফ ২০২৩ সালে ইউএস ওপেনে প্রথমবার গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের স্বাদ পেয়েছিলেন। সেই ফাইনালেও তার প্রতিপক্ষ ছিলেন বেলারুশের সাবালেঙ্কা। সেই ম্যাচেও প্রথম সেটে হারের পর ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি।


গফের আগে সবশেষ মার্কিন খেলোয়াড় হিসেবে ফ্রেঞ্চ ওপেনের শিরোপা জিতেছিলেন কিংবদন্তি সেরেনা উইলিয়ামস। ২০১৫ সালে সেই ফাইনালে চেক প্রজাতন্ত্রের লুসি সাফারোভাকে হারিয়ে ক্যারিয়ারে তৃতীয়বারের মতো ফ্রেঞ্চ ওপেন জয়ের স্বাদ পেয়েছিলেন তিনি।

গফের কাছে হেরে ফ্রেঞ্চ ওপেন জেতার সুযোগ হারিয়ে কানায় ভেঙে পড়েছেন মেয়েদের নম্বর ওয়ান সাবালেঙ্কা। ছবি: রয়টার্স


ফাইনালে সাবালেঙ্কার শুরুটা দারুণ হয়েছিল। প্রথম সেটে এগিয়ে গিয়েছিলেন ৪-১ গেমে। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে গফ সেটটাকে টাইব্রেকারে নিয়ে যান। তবে সেখানে আর পেরে ওঠেননি।


দ্বিতীয় সেটে অবশ্য সাবালেঙ্কাকে পাত্তাই দেননি গফ। এই মার্কিন তারকা জিতেছেন ৬-২ গেমে। সেট সেটে লড়াই জমে ঊঠেছিল। বেলারুশের তারকা বেশ কবারই ঘুরে দাঁড়াতে চেষ্টা করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত আত্মবিশ্বাসী গফের সামনে টিকতে পারেননি।


তিনবারের গ্র্যান্ড স্লাম চ্যাম্পিয়ন সাবালেঙ্কা প্রথমবারের মতো ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে উঠেছিলেন। কিন্তু রানার্স আপ হয়ে কেঁদে বুক ভাসিয়েছেন।  

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।