বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

তাণ্ডব’ প্রদর্শনকালে ছায়াবাণী হলে ভাঙচুর ও লুটপাট, কারিগরি ত্রুটিতে দর্শকের ক্ষোভ

প্রতিনিধিঃসিফাত প্রকাশিত: রবিবার, ৮ জুন, ২০২৫, ১১:০৪ এম
তাণ্ডব’ প্রদর্শনকালে ছায়াবাণী হলে ভাঙচুর ও লুটপাট, কারিগরি ত্রুটিতে দর্শকের ক্ষোভ
47

উত্তেজিত দর্শকরা ময়মনসিংহের ছায়াবাণী সিনেমা হলে ভাঙচুর চালাচ্ছে।

শাকিব খান অভিনীত ‘তাণ্ডব’ সিনেমা প্রদর্শনের সময় কারিগরি ত্রুটির কারণে উত্তেজিত দর্শকরা ময়মনসিংহের ছায়াবাণী সিনেমা হলে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে। ঘটনার সময় লুটপাটেরও অভিযোগ উঠেছে।

ঈদের দিন শনিবার (৭ জুন) বিকালে নগরীর সি কে ঘোষ রোডের পুরনো এই হলটিতে ছবির শেষ দিকে হঠাৎ করে স্ক্রিন বন্ধ হয়ে গেলে ক্ষুব্ধ দর্শকরা হলের ভেতর-বাইরে ভাঙচুর শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।

হলের দুই তলার সাড়ে সাতশ’ আসনের মধ্যে সাড়ে তিনটার শো চলাকালে কারিগরি সমস্যা দেখা দিলে সিনেমা বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় ক্ষুব্ধ দর্শকরা চেয়ার ছুড়ে মারাসহ পোস্টার, আসন, টিকিট কাউন্টারের দরজা-জানালায় ভাঙচুর চালায়। ফলে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত শো বন্ধ রাখা হয়।

শেরপুর থেকে সিনেমা দেখতে আসা দর্শক আল-আমীন হোসেন বলেন, ‘এই এলাকার মধ্যে ছায়াবাণী হলটাই একটু ভালো। কিন্তু ঈদের মত বিশেষ সময়ে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না নিয়েই কিভাবে সিনেমা চালানো হলো? টিকিট কিনতে গিয়ে সমস্যা, হলের ভেতরে পানি, আর সিনেমা শেষ না হতেই বন্ধ হওয়া—এসব একসঙ্গে মানা যায় না।’

আরেক দর্শক হাসান জাকির অভিযোগ করেন, ‘শো শেষ না হলেও কর্তৃপক্ষ একের পর এক টিকিট বিক্রি করছিল। ছবির সময় কখনো সাউন্ড থাকছে না, কখনো স্ক্রিন নিভে যাচ্ছে—এতে সবাই রেগে গেছে। তাণ্ডব তো হিট সিনেমা, স্বাভাবিকভাবে দর্শকের প্রত্যাশাও বেশি।’

হলের ক্যাশিয়ার আল-আমীন শেখ বলেন, ‘প্রযুক্তিগত সমস্যা আগাম বলা যায় না। সমস্যা দেখা দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সমাধান করা হয়েছিল। কিন্তু দর্শকরা যেভাবে ভাঙচুর করেছে, সেটা একেবারে অনিয়ন্ত্রিত। দোতলা থেকে চেয়ার ছুড়ে মারা হয়েছে, যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। তারা ক্যাশ কাউন্টারও ভেঙে টাকা নিয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে হলে ছবি চালানোই কঠিন হয়ে যায়।’

ময়মনসিংহ মহানগর পুলিশের তিন নম্বর ফাঁড়ির এএসআই মো. রাসেল জানান, ‘খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। সাময়িক উত্তেজনায় এমন ঘটনা ঘটেছে। সমস্যা হতে পারে, কিন্তু আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়।’

এক সময় ময়মনসিংহ শহরে অজন্তা, ছায়াবাণী, অলকা, পূরবী ও সেনা অডিটরিয়ামসহ পাঁচটি সিনেমা হল ছিল। আশির দশকে এসব হলগুলো ছিল জনপ্রিয়। কিন্তু মানহীন সিনেমা, দর্শক কমে যাওয়া এবং ২০০২ সালে সিনেমা হলে বোমা হামলার ঘটনায় ধীরে ধীরে হলগুলো বন্ধ হয়ে যায়।

বর্তমানে শুধু ছায়াবাণী হলটি টিকে আছে। পূরবী হল ভেঙে বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। বছরের বেশিরভাগ সময় দর্শকশূন্য থাকা ছায়াবাণী হল ঈদের সময় কিছুটা জমে ওঠে। এবারের ঈদে ‘তাণ্ডব’ ছবির কারণে দর্শকের চাপ বাড়ে, যা সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় হল কর্তৃপক্ষকে।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।