রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

ঝাঁজ বাড়ছে পেঁয়াজের ভোক্তার ক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৫, ৩:৫৪ এম
ঝাঁজ বাড়ছে পেঁয়াজের ভোক্তার ক্ষোভ
46

সামনে আসছে ঈদুল আজহা। আর এই উৎসবকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই সরব হতে শুরু করেছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। সুযোগ বুঝে তারা নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে। নানা অজুহাতে এসব পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পেঁয়াজের বাজার। প্রতি সপ্তাহেই দেদারসে বাড়ছে দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১৫ টাকা। আর এতে ক্ষোভ বাড়ছে ভোক্তাদের মনে।

পুরান ঢাকার বাসিন্দা আবুল কাশেম এক সপ্তাহ আগে সূত্রাপুর বাজার থেকে দুই কেজি পেঁয়াজ কেনেন ১০০ টাকায়। কিন্তু গতকাল সোমবার একই বাজার থেকে ফের দুই কেজি পেঁয়াজ কেনেন। তবে এবার দাম পড়েছে ১৩০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ৬৫ টাকা।

ক্ষোভ জানিয়ে তিনি কালবেলাকে বলেন, গত সপ্তাহে যে পেঁয়াজ কিনলাম ৫০ টাকায়, সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১৫ টাকা বেড়ে গেল। দেশে কী এমন হলো। শুধু যদি পেঁয়াজের দামই বাড়ত তাহলেও হতো। সয়াবিন তেল, চাল, সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সবকিছুর দাম বাড়তি। এভাবে চললে মধ্যবিত্তদের সংসার চালানো মুশকিল হবে। রমজান মাসে সবকিছু মোটামুটি স্বাভাবিক ছিলে; কিন্তু এখন আবারও পুরোনো চক্র সক্রিয় হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। সরকারের উচিত দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুর টাউনহল বাজার, নিউমার্কেট, মালিবাগ, রামপুরাসহ বেশ কয়েকটি বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে সর্বনিম্ন ৪০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৬৫ টাকা কেজিতে, যা গত সপ্তাহে ছিল সর্বনিম্ন ৩৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৫০ টাকা কেজিতে।

এদিকে সূত্রাপুর, গেন্ডারিয়া এবং শ্যামবাজার ঘুরে দেখা যায়, নিম্নমানের পেঁয়াজ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। আর একটু ভালো মানের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকায়।

বিক্রেতারা জানান, বাজারে বর্তমানে আমদানি করা পেঁয়াজ একেবারে কম। ফলে দেশি পেঁয়াজের ওপর চাপ বেড়েছে। এ সুযোগে বেড়েছে দামও।

শ্যামবাজারের খুচরা ও পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতারা বলছেন, চাষিদের ক্ষেতেই পেঁয়াজের দাম বেশি। ফলে তাদের বেশি দর দিয়ে কিনতে হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।

একই বাজারের আড়তদার শাহী ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী সেলিম হোসেন বলেন, কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ কিনতে আমাদের বেশি অর্থ ব্যয় হচ্ছে। ফলে চাইলেও কমে বিক্রি করতে পারছি না। পেঁয়াজের দাম বেশি থাকলে বিক্রিও কমে যায়। এতে আমাদের ব্যবসাও কম হয়।

পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতা মারুফ মিয়াজী বলেন, আড়তদারের কাছ থেকে বেশি দামে পেঁয়াজ কিনেছি। কমে বেচব কেমন করে।

এদিকে পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ জানতে পুরান ঢাকার শ্যামবাজারে খুচরা ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের সঙ্গে কথা বলেও একই তথ্য পাওয়া যায়। যারা পেঁয়াজ চাষ করেন তাদের কথার সুরও প্রায় একই রকম। তারা জানান, যত পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে, তা সব তোলা শেষ। জমিতে আর পেঁয়াজ নেই।

তবে অভিযোগ রয়েছে, মজুতদাররা পেঁয়াজ সংরক্ষণ করে রেখেছেন। ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে দাম আরও বাড়ানো চিন্তা থেকে এখনই কাজটি করছেন তারা।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।