সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩

গাইবান্ধায় সাংবাদিকে লাঞ্ছিতও জীবননাশের হুমকি প্রদান।

অর্পিতা চ্যাটার্জী, গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫, ৮:২৯ পিএম
গাইবান্ধায় সাংবাদিকে লাঞ্ছিতও জীবননাশের হুমকি প্রদান।
47

গাইবান্ধার লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিক ময়নুল ইসলামকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে তাকে জীবননাশের হুমকি দিয়েছে ফুল মিয়া নামের এক দুর্বৃত্ত। উক্ত ফুল মিয়া গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের ছোট ভাই।

লাঞ্ছনার শিকার সাংবাদিক ময়নুল ইসলাম গাইবান্ধা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ঘাঘট ও সাপ্তাহিক চলমান জবাব এর সাংবাদিক। সাংবাদিকতা ও সংস্কৃতি সেবার পাশাপাশি তিনি সামাজিক অসঙ্গতি ও অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবসময়ই সোচ্চার থাকেন। তার বাড়ি লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের মালিবাড়ি গ্রামে।

তিনি নিউজ সংক্রান্ত বিষয়ে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাজী মওলানা হাফিজুর রহমানের সাথে শনিবার রাত ৯টার দিকে মোবাইল ফোনে কথা বলেন। কাজী জানান যে, তার দায়িত্বে আছেন লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের ভাই ফুলমিয়া। তারপরই ফুলমিয়া ০১৯৮৯-৭৫৮৪৯২ নম্বর থেকে ময়নুল ইসলামের ০১৭৪৪-৭৫৮৫৩৫ নম্বরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। ফুল মিয়া আরও বলে যে, আর কোনো কথা হবে না, কোনো কিছু জানতে হলে আমার কাছ থেকেই জানতে হবে এবং আমি (ফুলমিয়া) এখানকার মুল ব্যক্তি সব বিষয়ে আমার কাছ থেকেই পরামর্শ নিতে হবে।

শুধু তাইনয়, রাত ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর বাজারের মসজিদ সংলগ্ন সড়কে বাড়ি যাওয়ার পথে সাংবাদিক ময়নুল ইসলামের পথরোধ করে ফুলমিয়া তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে প্রকাশ্যে জীবননাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় গাইবান্ধা সদর থানায় ময়নুল ইসলাম লিখিত অভিযোগ করেছেন। ঘটনা তদন্তের জন্য এস আই আনিছুর রহমানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, সাংবাদিক ময়নুল ইসলাম লাঞ্ছিত হওয়ায় গাইবান্ধার সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিককর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে দায়ী ফুল মিয়ার বিচার দাবি করেছেন।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।