বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

গলাচিপায় ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ধর্ষণ, অভিযুক্ত পলাতক

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা প্রকাশিত: শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫, ৮:০৫ পিএম
গলাচিপায় ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ধর্ষণ, অভিযুক্ত পলাতক
51

পটুয়াখালীর গলাচিপায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের মোটরসাইকেলচালক বাহাদূর হাওলাদারের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার (১৬ জুন) রাত ৩টার দিকে গলাচিপা সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়ার সোমবাড়িয়া বাজারে।

এই ঘটনায় বুধবার (১৮ জুন) শিক্ষার্থীর মামা গলাচিপা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত বাহাদূর পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণ এবং পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী গলাচিপা সদর ইউনিয়নের পক্ষিয়া গ্রামের বাসিন্দা। জন্ম থেকেই বাবা নিরুদ্দেশ থাকায় সে তার মামাবাড়িতেই বসবাস করে আসছিল এবং সামাজিকভাবে কিছুটা অসহায় ছিল। এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে বাহাদূর হাওলাদার তাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখানো শুরু করে এবং একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে বাহাদূর বিয়ের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

গত সোমবার (১৬ জুন) রাত আনুমানিক ৩টার দিকে শিক্ষার্থী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে উঠানে বের হয়। সে সময় আগে থেকে লুকিয়ে থাকা বাহাদূর কৌশলে তাকে বাড়ির কাছে সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়ার সোমবাড়িয়া বাজারে তার বড় ভাই বাদশার টেইলারিং দোকানের পেছনের ঘরে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধস্তাধস্তি এবং ডাকচিৎকার শুনে এলাকার লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এলে বাহাদূর দৌড়ে পালিয়ে যায়।

গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীর এই ঘটনায় গলাচিপা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান চলমান রয়েছে। একইসঙ্গে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা এবং মেডিক্যাল রিপোর্টের জন্য পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা ঘটনার একমাত্র আসামি বাহাদূরকে দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছি।”

এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা অভিযুক্তের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।