মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

কুয়াকাটায় মৎস্য ব্যবসায়ীসহ ৫ জুয়ারি আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫, ৪:০৪ পিএম
কুয়াকাটায় মৎস্য ব্যবসায়ীসহ ৫ জুয়ারি আটক
51

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মৎস্য ব্যবসায়ী ইউসুফ হাওলাদার ওরফে ‘ইউসুফ কোম্পানি’সহ পাঁচ জুয়ারীকে আটক করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। শনিবার (১৪ জুন) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে কুয়াকাটার আবাসিক হোটেল সুপারস্টার থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃত অন্যান্যরা হলেন- কলাপাড়ার রহমতপুরে মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে আবুল কালাম আজাদ, বরগুনা জেলার মাইঠা গ্রামের বাসিন্দা সুলতান মিয়ার ছেলে লিটন। একই গ্রামের আঃ আজিজের ছেলে মাসুদ, আলীপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেন হাওলাদারের ছেলে ইউসুফ হাওলাদার ও একই গ্রামের সোমেদ সিকদারের ছেলে টুক সিকদার। পলাতক আসামী কুয়াকাটার বাসিন্দা মৃত আশ্রাব হাওলাদারের ছেলে বায়েজিদ। 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই হোটেলে গোপনে জুয়া খেলার আসর বসে মর্মে সংবাদ পাওয়া। গতকাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ৫ জুয়াড়িকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হোটেলটির মালিক ও ম্যানেজার পালিয়ে যায়। এসময় জুয়ার আসর থেকে নগদ ৬২ হাজার ৫২ টাকা ও একজোড়া আলফা ডন’র রঙিন তাস উদ্ধার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা কুয়াকাটার আবাসিক হোটেল সুপারস্টারে অভিযান পরিচালনা করি। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে, যাদের মধ্যে একজন মৎস্য ব্যবসায়ী ইউসুফ হাওলাদার ওরফে ইউসুফ কোম্পানি। এদের বিরুদ্ধে জুয়া আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। হোটেলের মালিক ও ম্যানেজার পলাতক রয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

আটককৃতদের রোববার (১৫ জুন) সকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয়রা বলছেন, কুয়াকাটার কিছু হোটেলে দীর্ঘদিন ধরে এমন অবৈধ কার্যক্রম চলে আসছিল। পুলিশের এই অভিযানকে তারা স্বাগত জানিয়েছেন।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।