বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩

কলাপাডায়  বন্ধ করে দেয়া হলো মহাসড়ক দখল করে বসানো অবৈধ পশুর হাট।

কলাপাড়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২ জুন, ২০২৫, ৫:৩৮ পিএম
কলাপাডায়  বন্ধ করে দেয়া হলো মহাসড়ক দখল করে বসানো অবৈধ পশুর হাট।
42

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মহাসড়ক দখল করে অবৈধভাবে বসানো একটি পশুর হাট বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার দুপুরে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারের পশুর হাটের বেচা কেনা বন্ধ করে দেয় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদীক। এসময় থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি ব্যতিত কলাপড়া-কুয়াকাটা মহাসড়ক দখল করে সপ্তাহের সোমবার এ হাটটি বসিয়ে আসছিলো প্রভাবশালীরা। হাটটি ইজারাভুক্ত না হওয়া এবং সরকার রাজস্ব না পাওয়ায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে জানান ইয়াসিন সাদীক। এছাড়া কোথাও প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে হাট বসালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের কথা জানান তিনি।

উমেতপুরের বাসিন্দা  সোবহান বলেন, পাখি মারা বাজারে গরু বিক্রি করতে এসেছি কিছুক্ষণ আগে। ক্রেতারা  দরদাম করছিল। হঠাৎ উপজেলা প্রশাসনের লোকজন এসে হাটটি  বন্ধ করে দিয়েছে। 
এখন আমাদের কষ্টের শেষ নেই। এজন্য গরু বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছি।

হাজীপুর থেকে আসা আব্দুর রহিম বলেন, অনেক আশা ছিল গরুটি  বিক্রি করে ঈদের বাজার সদাই করবো। এর মধ্যেই গুরুহাটটি বন্ধ করে দিয়েছে। সবকিছু এখন এলোমেলো হয়ে গেছে।  

এ বিষয়ে পাখিমেরা বাজার কমিটির সভাপতি মোস্তফিজুর রহমান আইয়ুব, বলেন এই গরু হাটটি  ইজারা  পেতে আমরা উপজেলা প্রশাসনের  কাছে দরখাস্ত করেছি। হাটটি পরিচালনার জন্য লিখিত কোন অভিযোগ না পেলেও মৌখিক অনুমতি নিয়েই গরুর হাটটি পরিচালনা করে আসছি। তবে হঠাৎ করে বন্ধ করে দেওয়ায় হাটটি বন্ধ করে দেওয়ায় স্থানীয় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন আমরা অপেক্ষায় আছি লিখিত ভাবে গরুর হাটটি পরিচালনা অনুমোদন পেলেই স্থান নির্ধারণ গরুর হাট বসাবো। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, কোরবানি উপলক্ষে  গরুর হাটটি কোন অনুমতি দেওয়া হয়নি। এই হাট পরিচালনা করা সম্পূর্ণ অবৈধ। এজন্য সরকার লাখ লাখ টাকা  রাজস্ব হারাচ্ছে। যদি কেউ এভাবে অবৈধভাবে গরু হাট বসানোর চেষ্টা করে তাহলে আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।