রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

কলাপাড়ায় ব্রিজ ভেঙে খালের পানিতে বিলীন, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ১০ টি গ্রাম

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০২৫, ৪:১৩ পিএম
কলাপাড়ায় ব্রিজ ভেঙে খালের পানিতে বিলীন, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ১০ টি গ্রাম
47

পটুয়াখালীর মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের তাহেরপুর ও আজিমপুর গ্রামের মাঝখানে অবস্থিত লক্ষীর খালের উপর নির্মিত পুরনো আয়রণ ব্রিজটি সম্পূর্ণরূপে ধসে পড়ে খালের পানিতে বিলীন হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ মে) ভোররাতে হঠাৎ বিকট শব্দে ব্রিজটি ভেঙে পড়ে যায়।

যদিও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি, তবে দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করা এই ব্রিজটি একেবারে ধসে পড়ায় দুই পাশের অন্তত ১০টি গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন কুয়াকাটাগামী পর্যটকরাও।

২০০১ সালে নির্মিত ব্রিজটি বছরের পর বছর লবণাক্ত পানির সংস্পর্শে পড়ে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। নিচের লোহার অ্যাঙ্গেলগুলো মরিচায় নষ্ট হয়ে যাওয়ার ফলে ব্রিজটি ২০২১ সালেই স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। তবুও এলাকাবাসী কাঠের তক্তা বিছিয়ে অস্থায়ীভাবে পারাপার চালু রাখে।

গত বছরের ১১ আগস্ট এক ব্যবসায়ী সারবোঝাই টমটম নিয়ে ব্রিজ পার হওয়ার সময় দক্ষিণাংশ ভেঙে পড়ে। তখনই কাঠের তক্তা দিয়ে সংস্কার করা হলেও সেটিই ছিল শেষ আশ্রয়। রোদ-বৃষ্টি আর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা একেবারেই ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। আজকের ভোরে সেটিও শেষবারের মতো ধসে পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা আলামিন হোসেন বিপ্লব বলেন, “বছরের পর বছর ধরে আমরা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। আজকে ব্রিজটা একেবারে খালে পড়ে গেছে। এখন আর কোনও পথ নেই। নতুন একটি ব্রিজ ছাড়া বিকল্প নেই।”

স্থানীয় বাসিন্দা হাজেরা বেগম বলেন, “আমাদের ডাক্তার দেখাতে আলিপুর যেতে হয় এই ব্রিজ পার হয়ে। আজ সকালে ব্রিজটি  ভেঙে যাওয়ার পর আমাদের দুর্ভোগের এখন শেষ নেই।   বয়স্ক ও গর্ভবতী মেয়েরা হাসপাতালে যেতে অনেক সমস্যা হবে। এজন্য  আমরা চাই দ্রুত বৃষ্টি  নির্মাণ করা হোক।”

আজিমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র মোঃ তরিকুল সরদার বলেন, “ঝুঁকি নিয়ে পার হতাম। এখন তো স্কুলে যেতেও পারছি না। কষ্ট হচ্ছে অনেক।”

এ বিষয়ে এলজিইডি’র কলাপাড়া উপজেলার প্রকৌশলী মো. সাদিকুর রহমান বলেন, “বিষয়টি আমরা শুনেছি এবং সরেজমিনে তদন্ত করে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করব। অতি শিগগিরই ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এলাকাবাসীর চলাচল, শিক্ষার্থী ও কৃষকের জীবনজীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।