রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

কলাপাড়ায় একই রাতে স্কুল, বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরি

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০২৫, ৬:০৫ পিএম
কলাপাড়ায় একই রাতে স্কুল, বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরি
52

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একই রাতে একই ইউনিয়নের চার স্থানে চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি স্কুল, দোকান ও গরুচুরি।

বুধবার (২১ মে) দিবাগত রাতে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা, নীলগঞ্জ ও নবীপুরে ঘটনাগুলো ঘটেছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের কাছথেকে জানা গেছ পাখিমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ল্যাপটপ ও প্রজেক্টর। নীলগঞ্জ গ্রামের মামুন মৃধার দোকান থেকে নগদ টাকা ও সিগারেট সহ অন্যান্য মালামাল এবং নবীপুর গ্রামের বাসিন্দা মো.আবুল হোসেন হাওলাদার ও মোতালেব মাতুব্বর এর একটি করে মোট দুটি গরু চোরে নিয়ে যায়।

পাখিমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.মোফাজ্জল হোসেন বলেন, মাত্র তিনদিন হল সরকার থেকে স্কুলের জন্য ল্যাপটপ ও প্রজেক্টর পেয়েছেন। তারা এখন পর্যন্ত ব্যাবহারও করেন নি। কিন্তু গতকাল রাতে কোন একসময় দরজার কয়রা ভেঙ্গে তা চোরে নিয়ে যায়। এছাড়াও স্টিলের আলমিরা ভেঙ্গে সামন্য কিছু টাকাও নিয়েছে। নীলগঞ্জ ইউনিয়নে এই ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটতে দেখা যায়। এ ঘটনায় তারা হতভম্ব, তাই তারা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছেন।

এ সময় ওই স্কুলের পার্শবর্তী পাখিমারা প্রফুল্ল ভৌমিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ও সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মোঃ নাজমুল আলম বাদল মাতুব্বর বলেন, আমরাও বিদ্যালয়ের মালামাল নিয়ে শংকিত।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার পর আমরাও আতংকিত, আমাদের বিদ্যালয়ে ৩০ টির অধিক কম্পিউটার রয়েছে। এগুলোও এখন নিরাপদ মনে করছি না। তাই প্রশাসনের নজরদারি আরো অনেকগুণ বৃদ্ধি করার দাবি করছি।

এ বিষয়ে কলাপাড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.জুয়েল ইসলাম বলেন, আমি স্কুলে চুরির বিয়টি জেনেছি। এছাড়া অন্য ঘটনাগুলো আমার জানানেই। এখনও পর্যন্ত কোন বিষয়ে অভিযোগ পাইনি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।