মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

উত্তাল বঙ্গোপসাগর, পায়রায় ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫, ২:২৯ পিএম
উত্তাল বঙ্গোপসাগর, পায়রায় ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
45

বঙ্গোপসাগরে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে সৃষ্ট অস্বাভাবিক জোয়ারের ফলে কুয়াকাটা সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় সমুদ্র বেশ উত্তাল হয়ে উঠেছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় প্রচণ্ড ঢেউয়ের তোড়ে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে যায়। তবে ট্রলারে থাকা চার জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনার পর উপকূলজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীসহ আশপাশের এলাকায় গতকাল রাত থেকে থেমে থেমে হালকা ও মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হচ্ছে। এতে করে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ, বিশেষ করে খোলা আকাশের নিচে কাজ করা দিনমজুররা। বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয়রা।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বঙ্গোপসাগর উত্তাল রয়েছে। এজন্য পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সকল মাছধরা ট্রলার সমূহকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

তবে গতকাল সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়েছে মুষলধারে বৃষ্টিপাত। গতকাল সকাল নয়টা থেকে আজ সকাল নয়টা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় কলাপাড়ায় চলতি বছরের সর্বোচ্চ ১২১.২  মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে এবং আগামী পাঁচ দিন ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। 

মৎস্য বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, সমুদ্র উত্তাল থাকায় মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ মাছ ধরার ট্রলার কুয়াকাটা উপকূলে নিরাপদে ফিরে এসেছে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, “বঙ্গোপসাগরে কোনো দুর্ঘটনা এড়াতে মৎস্যজীবীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া জেলেদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।”

আলিপুর মৎস্য আড়ৎদার মালিক সমিতির সভাপতি জলিল ঘরামী বলেন, সমুদ্র বেশ উত্তাল থাকায় অনেক ট্রলার ঘাটে আসতে শুরু করেছে। তবে কিছু ট্রলার সমুদ্রে রয়েছেন। তারাও তীরে ফিরতে শুরু করেছে। ফিরত ট্রলার গুলো অনেকেই খালি হাতে ফিরছেন।

এদিকে দিনমজুর আব্দুর জব্বার বলেন, আমরা দিনমজুর কাজ করে খাই। টানা বৃষ্টির  ফলে আমাদের কাম কাজ নাই বললেই চলে। পরিবার-পরিজন নিয়ে খেয়ে না খেয়ে  কোন রকম বেঁচে আছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের মরণ ছাড়া কোন উপায় থাকবে না। 

কলাপাড়া মহিলা ডিগ্রী  কলেজের প্রভাষক নিখিল চৌধুরী  বলেন, গত কয়েকদিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে আমাদের বাসা বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। ছেলে মেয়েদের স্কুলে পাঠাবো তাও পাঠাতে পারছিনা। অনেক ভোগান্তিতে আছি। 

ট্যূরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, সমুদ্র কিছুটা উত্তাল রয়েছে, আগত পর্যটকদের গভীর সমুদ্রে না যাওয়ার জন্য বারবার মাইকিং করা হচ্ছে। 

উল্লেখ্য, জুন মাসে বর্ষা মৌসুমে এমন বৃষ্টিপাত স্বাভাবিক হলেও, সাগরের এ ধরনের অস্বাভাবিক উত্তাল অবস্থা মৎস্যজীবীসহ উপকূলবাসীর জন্য নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। প্রশাসনের পাশাপাশি আবহাওয়া অধিদপ্তর সবাইকে সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।