বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

ঈদের ছুটির চতুর্থ দিনে পর্যটকে  পরিপূর্ণ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি/এফ.বি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ জুন, ২০২৫, ৪:২৩ পিএম
ঈদের ছুটির চতুর্থ দিনে পর্যটকে  পরিপূর্ণ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত
44

ঈদুল আজহার টানা ১০ দিনের ছুটি যেন বদলে দিয়েছে ‘সাগরকন্যা’ কুয়াকাটার চিত্রপট। পটুয়াখালীর এই অপরূপ সমুদ্রসৈকত এখন পর্যটকের পদচারণায় সরগরম। ঈদের দিন থেকেই শুরু হওয়া পর্যটকদের ঢল চতুর্থ দিনেও অব্যাহত রয়েছে। প্রচণ্ড ভ্যাপসা গরম উপেক্ষা করেও সৈকতের নোনাজলে গা ভিজিয়ে স্বস্তি খুঁজে নিচ্ছেন হাজারো ভ্রমণপিপাসু মানুষ। ঢেউয়ের উন্মাদনা, হালকা বাতাস আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মোহিত হয়ে পড়ছেন তারা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শুধু মূল সৈকত নয়, আশপাশের গঙ্গামতির চর, কাউয়ার চর, রাখাইন পল্লী, শুঁটকিপল্লী, লেম্বুর বন, ফাতরার বন ও বৌদ্ধবিহার—প্রতিটি দর্শনীয় স্থানে উপচে পড়া ভিড়। পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, সহপাঠী কিংবা সহকর্মীদের সঙ্গে দলবেঁধে আসা পর্যটকদের আনাগোনায় উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। কেউ সেলফিতে মগ্ন, কেউ সমুদ্রের ঢেউয়ে দোল খাচ্ছেন, আবার কেউবা প্রকৃতির কোলে বসে খুঁজে নিচ্ছেন প্রশান্তি।

দীর্ঘদিন পর এমন জমজমাট কুয়াকাটা দেখে খুশি স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও। হোটেল-মোটেল, রেস্টুরেন্ট, ফুচকা-ঝালমুড়ি, হস্তশিল্প ও শুঁটকিসহ প্রায় প্রতিটি খাতে বেড়েছে বেচাকেনা। অনেক ব্যবসায়ীর ভাষ্য, এমন পর্যটক সমাগম বহুদিন পর দেখা গেছে, যা কুয়াকাটার অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে তারা আশাবাদী।

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ জানান, ঈদ মৌসুমে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ হোটেল-গেস্ট হাউস পূর্ণ রয়েছে। এরকম উৎসবমুখর পরিবেশ অনেক দিন পর দেখা গেল।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক হাবিবা ইসলাম বলেন, শুধু সমুদ্র নয়, আশপাশের পর্যটন স্পটগুলোও দারুণ লেগেছে। গরম ছিল বটে, তবে সাগরের কাছাকাছি এসে মনে হয়েছে, যেন প্রকৃতি আপন করে নিচ্ছে।

রাজশাহী থেকে পরিবার নিয়ে আসা পর্যটক হাসিবুর রহমান জানান, কুয়াকাটা এখন অনেক নিরাপদ, আর সবকিছু সুন্দরভাবে ব্যবস্থাপিত।

পর্যটকদের সেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর রয়েছে ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক)। সংগঠনের সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার জানান, এমন পর্যটক প্রবাহ অব্যাহত থাকলে কুয়াকাটায় নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে, যা কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতেও সহায়ক হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন রয়েছে মহিপুর থানা পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান জানান, শুধু সৈকত নয়, আশপাশের প্রতিটি দর্শনীয় স্থানেও মোবাইল টিম কাজ করছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার পাশাপাশি তথ্য সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া কোন ধরনের আপত্তিকর ঘটনা এড়াতে সৈকত জুড়ে সিসি ক্যামেরা দিয়ে মনিটরিং করা হচ্ছে। 

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।