মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

ইরানের ওপর হামলা নিয়ে ‘নীরব ভূমিকা’ সিরিয়ার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০২৫, ৬:০৫ পিএম
ইরানের ওপর হামলা নিয়ে ‘নীরব ভূমিকা’ সিরিয়ার
53

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা। ছবি: রয়টার্স

ইরানের ওপর ইসরাইলের সবচেয়ে নির্লজ্জ আক্রমণ শুরু করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই, আরব দেশগুলো – যাদের অনেকেই তেহরানের প্রকৃত বন্ধু নয় – দ্রুত ইসরাইলি আগ্রাসনের নিন্দা জানায়। কিন্ত এক্ষেত্রে নীরবই থেকেছে ইরানের অন্যতম ‘মিত্র’ হিসেবে পরিচিত একটি দেশ।

আরব নেতারা ইসরাইলি হামলাকে ‘জঘন্য আক্রমণ’ এবং ‘আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’ বলে নিন্দা করেছেন। কিন্তু সমালোচনার এই কোলাহলের মধ্যেও, অঞ্চলটির এক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় উল্লেখযোগ্যভাবে নীরব রয়েছে, সেটি হলো সিরিয়া।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বে সিরিয়ার নতুন সরকারের নীরব থাকার সিদ্ধান্তটি ইঙ্গিত দেয় যে গত ডিসেম্বরে বিদ্রোহীরা আসাদ সরকারকে উৎখাত করার পর থেকে দেশটির ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি কতটা পরিবর্তিত হয়েছে।

এই অঞ্চলে ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের অন্যতম ছিল সিরিয়া এবং সেখানে ‘ইসরাইল-বিরোধী মিলিশিয়া’, তথাকথিত প্রতিরোধের অক্ষ, এর নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সময় গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিয়েছিল তেহরান। 

আরও পড়ুন: দাবি ইরানের /মোসাদের অপারেশন পরিকল্পনা কেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা!

কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর থেকে, নতুন সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে সিরিয়ায় ইরানের অনুগতদের আর স্বাগত জানানো হবে না এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তারা সিরিয়ার মাটি থেকে কোনো ‘সশস্ত্র গোষ্ঠীকে’ ইসরাইলে আক্রমণ চালানোর অনুমতি দেবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রতিশ্রুতি পশ্চিমা দেশগুলোর সমর্থন অর্জনের জন্য আল-শারার প্রচেষ্টার অংশ এবং ইরানের প্রতি গভীর ক্ষোভের ফল যে, ইরান সিরিয়ার প্রায় ১৪ বছরের গৃহযুদ্ধের সময় বিদ্রোহী বাহিনীকে লড়াই করার জন্য স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদকে সামরিক সহায়তা দিয়েছিল।

এখন, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে সংঘাত সিরিয়ার কর্তৃপক্ষকে তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণের সুযোগ করে দিয়েছে – এবং ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে আল-শারা যে পশ্চিমা সমর্থন অর্জনের চেষ্টা করছেন, তা অর্জনের সুযোগ করে দিয়েছে।

এ বিষয়ে ওয়াশিংটনে মিডলইস্ট ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো ইব্রাহিম আল-আসিল বলেন, 

সিরিয়ার নীরবতা ইসরাইল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি শক্তিশালী সংকেত যে সিরিয়া আর এই অক্ষের অংশ নয় এবং সিরিয়ার মাটি কোনো আঞ্চলিক শক্তি ইসরাইলের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালানোর জন্য ব্যবহার করবে না।

‘সিরিয়ার নতুন সরকার এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এবং এখন তারা তা করে দেখাচ্ছে,’ যোগ করেন আসিল। 

এ বিষয়ে অবগত দুই কর্মকর্তার মতে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আল-শারার সরকার নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় জড়িত হয়েছে — যা মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক দশক ধরে সংঘাতের বিপরীত দিকে থাকা দুটি দেশের জন্য এটি এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন।

১৯৬৭ সালে আরব-ইসরাইল যুদ্ধের পর থেকে সিরিয়ার গোলান মালভূমি দখল করে রেখেছে ইসরাইল। আসাদ সরকারকে উৎখাতের পর, তারা এই অঞ্চলে অতিরিক্ত সেনা পাঠিয়েছে এবং সিরিয়ার সামরিক ঘাঁটি এবং অস্ত্রের গুদামে শত শত বিমান হামলা চালিয়েছে। কারণ তাদের আশঙ্কা ছিল, সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চল ইসরাইলের জন্য হুমকিস্বরূপ ‘চরমপন্থি গোষ্ঠীগুলির’ নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে।

কিন্তু গত এক মাস ধরে সিরিয়ায় ইসরাইলি বোমা হামলার গতি কমেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার নতুন নেতাদের ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আহ্বান জানিয়েছে। যদিও আল-শারা বলেননি যে তিনি এটি করার কথা বিবেচনা করবেন। 

তবে সংশ্লিষ্ট অনেকেই আশা করছেন, সিরিয়া সরকার ইসরাইল-ইরান চলমান সংঘাতের ফলে ‘আরও দুর্বল তেহরানকে স্বাগত জানাবে’।

আর তেমনটি হলে এ ঘটনা সিরিয়াকে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য চাপ দিতে ইসরাইলকে আরও বেশি সুবিধা দেবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

চ্যাথাম হাউসের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা প্রোগ্রামের পরিচালক সানাম ওয়াকিল বলেন, 

আমি মনে করি, আল-শারা সরকার এমন একটি সম্ভাব্য ফলাফল ছাড়া আর কিছুই চাইবে না যেখানে ইরান দুর্বল হয়ে পড়বে, নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারবে না।

কিন্তু এর ফলে ইসরাইল আল-শারাকে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য চাপ দিতে পারে এবং সিরিয়ার ভূখণ্ডে ‘নিরাপত্তা হুমকির’ সম্মুখীন হলে ইসরাইল সামরিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানানোর অধিকার পেতে পারে বলেও জানান ওয়াকিল।

এছাড়াও ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাত সিরিয়ানদের মধ্যে এই আশঙ্কাও জাগিয়ে তুলেছে যে তাদের দেশ ইরান ও ইসরাইলের সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে। 

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।