সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

‘স্থানান্তর নয়, শিবচরেই নির্মিত হবে হাইটেক পার্ক’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১১:২৭ এম
‘স্থানান্তর নয়, শিবচরেই নির্মিত হবে হাইটেক পার্ক’
54

মাদারীপুরে শিবচরে নির্মাণাধীন বিশেষায়িত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি’ হাইটেক পার্ক স্থানান্তর করা হচ্ছে না, শিবচরেই নির্মাণ হবে এই পার্ক। আজ সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার কুতুবপুরে নির্মাণাধীন হাইটেক পার্ক পরিদর্শনে এসে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী এসব কথা বলেন।শিবচরের কুতুবপুরে নির্মাণাধীন ‘বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক’ স্থানান্তর করা হচ্ছে এমন সংবাদের প্রতিবাদে বেশ কিছুদিন ধরে শিবচরের সর্বস্তরের জনগণ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে আসছে। তারই ফলশ্রুতিতে আজকে কুতুবপুরে হাইটেক পার্ক এলাকা পরিদর্শনে এসেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।এ সময় সচিব বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আইসিটি বিভাগকে এই প্রকল্পটিসহ ২১টি প্রকল্পের মূল অবকাঠামো ঠিক রেখে নির্মাণ ব্যয় কতটুকু সাশ্রয় করা যায় সে নির্দেশ দিয়েছিল। সে অনুযায়ী কমিটি গঠন করা হয় এবং কমিটি প্রতিবেদনে টাকা সাশ্রয়ের কথা বলেছে। কিন্তু আমরা সরজমিনে প্রকল্পগুলো আবারো পরিদর্শন করতে চাই এবং আজকে কুতুবপুরে নির্মাণাধীন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক পরিদর্শন করতে এসে দেখলাম এই এলাকায় কোন পাবলিক ইউনিভার্সিটি নেই, এটি ঢাকার খুবই কাছে একটি এলাকা। এমন একটি প্রতিষ্ঠান এই অঞ্চলে থাকাটা জরুরি বলে আমি মনে করি।এ সময় উপস্থিত ছিলেন, হাইটেক পার্কের এমডি আমিনুল ইসলাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উপসচিব (প্রশাসন শাখা) মোহাম্মদ সাইফুল হাসান, নির্বাহী প্রকোশলী ফিরোজ আহমেদ, মাদারীপুর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ হাবিবুল আলম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (ভূমি অধিগ্রহণ শাখা) মো. নূরে আলম সিদ্দিক, শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পারভিন খানম, শিবচর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাইখা সুলতানাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে নেয়া এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা রয়েছে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে। সাইবার সিকিউরিটি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সসহ প্রযুক্তির নানাখাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি পদ্মা সেতুর পাশে মাদারীপুরের শিবচরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে ‘ইনস্টিটিউট অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি’ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। বিশেষায়িত এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি। অধিগ্রহণ করা ৭০ একর জমি নির্ধারণ করা হয়েছিল। যেখানে বালু ফেলে ভরাটের কাজ শুরু হয়েছিল। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট নানা কাজে জুলাই ২০২৪ সাল পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ২৪৮ কোটি টাকা।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।