সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩

সৌদি থেকে ১’শ প্রবাসীর বেতনের ৩ কোটি নিয়ে উধাও গোপালগঞ্জের মামুন, ভিডিও বার্তায় ভুক্তভোগীরা।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫, ৩:৩০ পিএম
সৌদি থেকে ১’শ প্রবাসীর বেতনের ৩ কোটি নিয়ে উধাও গোপালগঞ্জের মামুন, ভিডিও বার্তায় ভুক্তভোগীরা।
52

মোঃ শিহাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।

টাকার অভাবে না খেয়ে দিন পার করছে সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশি রেমিটেন্স যোদ্ধারা। মানবতার জীবন-যাপন করছে তারা। ভিডিও বার্তায় জানালেন গোপালগঞ্জ সহ অন্যান্য ভুক্তভোগীরা।
গোপালগঞ্জের মামুন ওরফে সাগর, আরেক ছদ্মনাম আব্দুল্লাহ সৌদি অরবে এএজিসি ও এসিটি সাপ্লাইয়ার কোম্পানীর পরিচালক। সৌদি আরবে গোপালগঞ্জ সহ সারা দেশের প্রায় ১০০ জন রেমিটেন্স যোদ্ধাদের কষ্টে অর্জিত বেতনের কারো ৩ মাসের, কারো ৫ মাসের টাকা নিয়ে উধাও গোপালগঞ্জের এই মামুন। টাকার অভাবে না খেয়ে মুখ বুঝে কাঁদছে প্রবাসের মাটিতে রেমিটেন্স যোদ্ধারা।

তারা তাদের কষ্টে অর্জিত টাকা ফেরত ও দোষিদের শাস্তির দাবিতে সৌদি আরব থেকে ভিডিও বার্তায় এসব তথ্য জানান। তারা আরো জানান, আমরা আমাদের পরিবার ও দেশের জন্য বিদেশের মাটিতে কাজ করতে এসে প্রতারিত হয়েছি। আমরা প্রতারক মামুন ওরফে সাগরের শাস্তির দাবিতে গণমাধ্যম কর্মীদের মাধ্যমে গোপালগঞ্জ প্রশাসনের সাহায্যে কামনা করছি।প্রবাসীদের ভিডিও বার্তায় আরো জানা যায়, গোপালগঞ্জ জেলার সদর উপজেলা পূর্ব নিজড়া গ্রামের হান্নান শেখের ছেলে সাগর ওরফে মামুন, তার পাসপোর্ট নং-ইএম০৩২৬৭৮৫।

গোপালগঞ্জের নিজড়া প্রতারকের নিজ বাড়ি হলেও পাসপোর্টের ঠিকানা দেওয়া টুঙ্গিপাড়া গোপালগঞ্জ। সে সৌদি আরবে এসিটি ও এএজিসি নামক সাপ্লায়ারের মালিক হয়ে গোপালগঞ্জে সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকাতে যাওয়া সৌদী প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যোগদান করিয়ে মাসের পর মাস কাজ করিয়ে মূল কোম্পানীর নিকট হতে বেতন তুলে উধাও হয়ে গেছে। এই প্রতারক মামুন প্রবাসীদের কষ্টে অর্জিত ১০০ জনের বেতনের প্রায় ২ কোটি ৫০ লক্ষাধিক টাকা অত্মসাত করে পালিয়ে যায়।প্রতারক মামুনের প্রতারণার শিকার গোপালগঞ্জ জেলা সদরের শফিকুল ইসলাম বলেন, আমি সৌদির রিয়াদে গোপালগঞ্জের নিজড়ার মামুন ওরফে সাগর পরিচালিত এএজিসি নামক এক কোম্পানীর মাধ্যমে একটি সোলার প্লান্টে কাজ করি। আমার বেতন মাস শেষে মূল কোম্পানি পেমেন্ট করলেও ঐ বেতন এএজিসি (সাপ্লাইয়ার)কোম্পানির পরিচালক মামুন উঠায়। আমার বেতনের তিন মাসের ৯০০০ রিয়েল যার বাংলাদেশ টাকার পরিমাণ প্রায় ৩ লক্ষ টাকা আমাকে না দিয়ে সে পালিয়ে যায়।

তিনি এএজিসি এমডি মামুনকে কুকুরের সাথে তুলনা করে বলেন, আমরা টাকার অভাবে বিদেশের মাটিতে দুর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছি আর ঐ প্রতারক আমাদের ঘামে ঝরা টাকায় বাংলাদেশে তার বোন জামাই আল-আমিন সোহেলকে দিয়ে ঢাকার কাপড়ের ব্যবসা করাচ্ছে। গোপালগঞ্জ সদরের ঘোষের চর মৌলভি পাড়া তার শ্বশুর বাড়ি, সে আমাদেরকে এই ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করছে। প্রতারক মামুনের সাথে জড়িত রয়েছে ওর বোন জামাই মো. আল-আমিন(সোহেল), তার সাথে আরো জড়িত তার স্ত্রী রিতু, ভাই সোহাগ, ও তার শ্বশুর মনির মোল্লা। আমরা আমাদের কষ্টে আর্জিত টাকা ফেরত সহ আমাদের পরিবারকে কাঁদিয়ে আমাদের টাকা যে সকল পরিবার ভোগ করছে, তাদের সকলের শাস্তি দাবি করছি প্রশাসনের নিকট।প্রতারক মামুনের শিকার গোপালগঞ্জ জেলা সদর বেদগ্রমের রায়হান হোসেন এর ৩ মাসের বেতনের টাকা একই কায়দায় তুলে নিয়ে পালিয়ে যায়।এ ব্যপারে রাজবাড়ি জেলার ভুক্তভোগী মো. রেজাউল মল্লিক বলেন, আমি সৌদী আরবে এসে একটা সাপ্লায়ারের মাধ্যমে কাজ করছি নাম রিয়াদের এএজিসি, এর পরিচালক মামুন ওরফে সাগর তার বাড়ি গোপালগঞ্জের নিজড়া, তার বাবার নাম আব্দুর হান্নান শেখ, সে আমাদের ৩ মাসের স্যালারি নিয়ে পালিয়ে গেছ।সে আমার টাকাসহ প্রায় শত জনের টাকা নিয়ে পালিয়েছে।সে এখন মদিনায় আছে।

আমরা সবাই গোপালগঞ্জ জেলার প্রশাসনের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যেন আমাদের পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হয়।গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়ার হানিফ শেখ নামক ভুক্তভোগী বলেন, আমি পাঁচ মাস যাবৎ সৌদী আবে এসেছি, এখানে এসে এসিটি(সাপ্রায়ার)এর মাধ্যমে কাজ শুরু করি, যার পরিচালক সাগর ওরফে মামুন সে প্রতি মাসে আমাদের বেতনের টাকা উঠিয়ে আমাদেরকে দেয় নাই। আমরা টাকার অভাবে না খেয়ে ১৪ ঘন্টা ডিউটি করেছি, বাসা ভাড়া দেওয়ার জন্য দেশ থেকে টাকা এনে পরিশোধ করেছি।আমরা অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছি। আমাদের এই টাকাটার ব্যবস্থা করতে পারলে সৌদি থাকতে পারতাম। আমরা বাধ্য হয়ে মিডিয়ার মাধ্যমে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যাতে আমাদের টাকাটা ফেরত পাই।


গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়ার বাশবাড়িয়া এলাকার তুহিন বলেন, আমি সৌদি আরব এসে এসিটি কোম্পানির মাধ্যমে কাজ করেছি, যার মালিক সাগর ওরফে মামুন ইম তিন মাস কাজ করার পর বেতন নিতে গেলে সে আমাকে বরে তোদের পেটে ভাতে কাজ করিয়েছি তোদের কোন আকামা নাই, তাই বলে আমাদেরকে খেদায় দেছ, আমাদের এখন খাবার টাকাটা নাই, কাজ শেষ করে বাসায় যাওয়ার টাকাটাও নাই। আমরা এর প্রতিকার চাই।
এ ব্যপারে নারায়ণ গঞ্জের আরো এক ভুক্তভোগী বলেন, আমি এদেশে এসে ডাবল এসিটি পরিচালক মামুন ওরফে সাগরের মাধ্যমে কাজ করি, তার বাড়ি গোপালগঞ্জের নিজড়া গ্রামে সে আমার তিন মাসের স্যালারি না দিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছে আমরা মানবতার জীবন-যাপন করছি। আমরা এর সুষ্ঠ বিচার চাই।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।