বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

লালমনিরহাটে কৃষকের পাটক্ষেতে বিষাক্ত কীটনাশক নিক্ষেপ ৫জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ জুন, ২০২৫, ১১:১৯ পিএম
লালমনিরহাটে কৃষকের পাটক্ষেতে বিষাক্ত কীটনাশক নিক্ষেপ ৫জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ
44


লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের কলাখাওয়া এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মোজাম্মেল হক (৫৫) নামের এক দরিদ্র কৃষকের ১একর জমির পাটক্ষেত নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে ওই এলাকার স্থানীয় ৫জনের বিরুদ্ধে লালমনিরহাট সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কৃষক মোজাম্মেল হক তাঁর পৈতৃক জমিতে গত দুই বছর ধরে চাষাবাদ করে আসছেন। চলতি মৌসুমে তিনি ওই জমিতে তোষা জাতের পাট চাষ করেন। শুক্রবার (৬ জুন) বিকেলে জমি দেখে বাড়ি ফিরে যান তিনি। পর দিন শনিবার (৭ জুন) সকালে জমিতে গিয়ে দেখেন, সমস্ত পাট গাছ ঝলসে পড়ে আছে। পরে স্থানীয় কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের দাবি, প্রতিপক্ষরা রাতের আঁধারে অতিরিক্ত মাত্রায় বিষাক্ত কীটনাশক ছিটিয়ে পাট গাছগুলো নষ্ট করে দিয়েছে। এতে প্রায় ১লক্ষ ৬০হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি জানান।

মোজাম্মেল হকের দায়ের করা অভিযোগে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাঁরা হলেন- একরামুল হক (৩৬), রফিকুল ইসলাম (৩৮), খোকা মামুদ (৫৭), আসাদুল (৩২) এবং মাইদুল ইসলাম (৩০)। এরা সকলেই একই এলাকার বাসিন্দা।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রতিপক্ষরা জমিটি জোরপূর্বক দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছে এবং কৃষক মোজাম্মেল হককে প্রাণনাশের হুমকিও দিয়েছে। জমিটি মৌজা কলাখাওয়া, খতিয়ান নং-২০৭, দাগ নং-১১৭ ও ১১৪ মোট ১০০শতক বলে দাবি করেছেন তিনি।

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, পুরো জমির পাট গাছ ঝলসে গেছে। কিছু কিছু গাছে আংশিক পাতা থাকলেও তা থেকে কোনো উৎপাদনের আশা করা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মোজাম্মেল হক বলেন, অনেক কষ্ট করে ফসল লাগিয়েছিলাম। অথচ আমার সেই কষ্টের ফসল নষ্ট করে দিয়েছে প্রতিপক্ষরা। আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি। এখন সঠিক বিচার চাই।

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আব্দুল হালিম বলেন, সম্ভবত কেউ রাগের বশে অতিরিক্ত কীটনাশক ছিটিয়ে এ ক্ষতি করেছে। ঘটনা সম্পর্কে আমি অবগত।

একই এলাকার আরেক বাসিন্দা মতিয়ার রহমান বলেন, ঘটনার দু’দিন আগেও পাট গাছগুলো সবুজ ছিল। হঠাৎ দেখলাম, সব গাছ জ্বলে গেছে। ফসল উৎপাদনের কষ্ট আমরা কৃষকরাই জানি। দোষীদের অবশ্যই শাস্তি হওয়া উচিত।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নুরনবী বলেন, অভিযোগটি প্রাথমিকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।