বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

মহিপুরে ভিজিডি চাল বিতরণে টাকা আদায়ের অভিযোগ ইউপি সদস্য বাবুল ও জসিম 

মহিপুর (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৯ জুন, ২০২৫, ১০:৪৭ পিএম
মহিপুরে ভিজিডি চাল বিতরণে টাকা আদায়ের অভিযোগ ইউপি সদস্য বাবুল ও জসিম 
49

পটুয়াখালীর মহিপুরে অভাবগ্রস্ত ও দুস্থ নারীদের জন্য সরকারের বিশেষ বরাদ্দকৃত ভিজিডি চাল বিতরণের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে দুই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। সরেজমিন অনুসন্ধানে সত্যতাও মিলেছে অভিযোগের।

অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন মহিপুর থানাধীন ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল গাজী এবং ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জসিম ফরাজী, যিনি ‘লাদেন জসিম’ নামে পরিচিত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই দুই ইউপি সদস্য ভিজিডি চাল দেওয়ার নামে প্রত্যেক সুবিধাভোগীর কাছ থেকে ৫০০ থেকে ১,৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করেছেন। অভিযোগ ওঠার পর বাবুল গাজী স্বীকার করেছেন, তিনি কিছু মানুষের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা করে নিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে তা ফেরত দিয়েছেন।

অন্যদিকে জসিম ফরাজী জানিয়েছেন, তিনি জনপ্রতি ২০০ টাকা করে ‘গাড়িভাড়া বাবদ’ নিয়েছেন। যদিও একাধিক ভুক্তভোগী দাবি করেছেন, তাদের কাছ থেকে ৫০০ থেকে ১,৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়েছে।

অভিযোগকারী ইসমাইল মোল্লা বলেন, ‘সরকার গরিবের জন্য চাল দেয়, অথচ বাবুল মেম্বার আমাদের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা করে নিয়েছে।’

স্থানীয় এক গৃহবধূ আছিয়া বেগম (ছদ্মনাম) বলেন, ‘আমার স্বামী অসুস্থ। চাল পেতে জসিম মেম্বার ১ হাজার টাকা নিয়েছে। সে বলছে, এটা  নাকি নিয়ম। তাই বাধ্য হয়ে ধার করে দিয়েছি।’

রফিক নামে আরেকজন অভিযোগকারী বলেন, ‘পাঁচ মাসের চাল দেওয়ার কথা বলে মেম্বার আমার স্ত্রীর কাছ থেকে ১ হাজার টাকা নিয়েছে।’

আরেক ভুক্তভোগী জামিলা খাতুন (ছদ্মনাম) বলেন, ‘প্রতি মাসে ২০০ টাকা করে চেয়েছে। ৫ মাসে ১,০০০ টাকা নিয়েছে, কিন্তু চাল পেয়েছি ৪ মাসের।’

স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিষয়টির সঙ্গে শুধু ইউপি সদস্যরাই নন, বিএনপির নেতারাও জড়িত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বিএনপির এক নেতা জানান, জসিম মেম্বার ও বাবুল মেম্বার দুজনেই টাকা নিয়েছেন, বিষয়টি সত্য। এর সাথে বিএনপির লোকজনও জড়িত বলে জানান তিনি।

জানা গেছে, ইউপি সদস্য জসিম ফরাজী জুলাই বিপ্লবের পূর্বে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ২নং ওয়ার্ড সভাপতির পদপ্রত্যাশী ছিলেন। ৫ আগস্টের পরে প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পরপরই তিনি অদৃশ্য শক্তির আশির্বাদে ওই ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি বনে যান। তার বিরুদ্ধে অতীতেও নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা হেদায়েত উল্লাহ জোহাদী বলেন, ‘ভিজিডি চাল দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। দুই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে। তাদের নোটিশ করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘সরকারের ভিজিডি কার্যক্রমে কোনোভাবেই অর্থ নেওয়ার সুযোগ নেই। তদন্তসাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।