সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

ভারতকে বাংলাদেশের জনগণের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে- মুফতি শামছুদ্দীন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৩:৫১ পিএম
ভারতকে বাংলাদেশের জনগণের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে- মুফতি শামছুদ্দীন
49

ভারতকে বাংলাদেশের জনগণের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে- মুফতি শামছুদ্দীন

আজ (৩ডিসেম্বর) মঙ্গলবার, বাদ আসর জামালপুরে মেলান্দহ বড় মসজিদ গেট থেকে উপজেলা সহ সভাপতি মাওলানা আব্দুল্লাহ এর সভাপতিত্বে, উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মুফতি সোলাইমানের সঞ্চালনায় ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারি হাইকমিশনের কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, মেলান্দহ উপজেলা শাখার বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জমিয়তের কেন্দ্রীয় আমেলার নির্বাহী সদস্য ও জেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মুফতি শামছুদ্দীন। তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে, ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারি হাইকমিশন কার্যালয়ের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ভারতের কড়া সমালোচনা করেন। বলেন, ১৯৭১সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই ভরতের মাথা গরম, তারা কখনো বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে মানতে চাইনি। আমরা আমাদের দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার ক্ষেত্রে সর্বদা আপোষহীন। সম্প্রতি ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশন কার্যালয়ে যে হামলা করেছে, তা একটি সুপরিকল্পিত হামলা। যাতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিহতের কোন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

তিনি বলেন, এমন সুপরিকল্পিত ঘটনায় ভারতকে বাংলাদেশের জনগণের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় এই আন্দোলন দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করবে। যার ফলে ভারত তার সেভেন সিস্টার্স রক্ষা করতে পারবে না। আমরা বাংলাদেশের মনুষ দেশ ও ইসলাম রক্ষায় জীবন দিতে সদা প্রস্তুত। আমরা হামলা, মামলা ইত্যাদিকে কখন ভয় করনি করবোও না। আমরা শান্তি প্রিয় মানুষ শান্তিতে থাকতে চাই, আমাদেরকে শান্তিতে থাকতে দিন। যদি আমাদের সাথে লড়তে আসেন, তাহলে আমরাও চূড়ান্ত লড়ায়ের ঘোষণা দিবো ইনশাআল্লাহ।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন,মাওলানা আব্দুল ওয়াহেদ, সহ সভাপতি- মেলান্দহ উপজেলা জমিয়ত, মাওলানা আব্দুল ওয়াহাব, সাধারণ সম্পাদক-মেলান্দহ পৌর শাখা, হাফেজ ইসহাক,
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- উপজেলা, মুফতি ফরিদুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- মেলান্দহ উপজেলা জমিয়ত, মুফতি নূর মোহাম্মদ, সাংগঠনিক সম্পাদক-মেলান্দহ উপজেলা জমিয়ত, মুফতি সাঈদ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক- মেলান্দহ পৌর শাখা জমিয়ত, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রচার সম্পাদক- মেলান্দহ উপজেলা জমিয়ত, মাওলানা আব্দুল মান্নান, অর্থ সম্পাদক- উপজেলা জমিয়ত, মুফতি সাইফুল ইসলাম, সহ অর্থ সম্পাদক- উপজেলা জমিয়ত এবং উপজেলা জমিয়তের দফতর সম্পাদক মাওলানা ইসমাইল হোসেনসহ জেলা উপজেলা ও পৌর শাখা জমিয়তের নেতৃবৃন্দ।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।