সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের নেতা রূপালী ব্যাংকের এমডি হলেন জুলাই গণহত্যার আসামী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫, ৫:১৭ এম
বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের নেতা রূপালী ব্যাংকের এমডি হলেন জুলাই গণহত্যার আসামী
49

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই গণ অভ্যুত্থানের নারকীয় ঘটনায় গণপূর্তের চিফ ইঞ্জিনিয়ারসহ ৯৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতারসহ তার প্রতিষ্ঠানের একাধিক প্রধান প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলী এই হত্যাকাণ্ডে জড়িয়ে আছেন।আসামীরা হলেন (১) মো. শামীম আক্তার,প্রধান প্রকৌশলী,গণপূর্ত অধিদপ্তর,(২)আগস্টিন পিউরিফীকেশন,চেয়ারম্যান (কাল্ব)(৩) মো:জালাল আহমেদ আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদগঞ্জ. (৪) শাহিন আলম, সাব রেজিস্টার তেজগাঁও , (৫) মোঃ শাহাবুদ্দিন আহমেদ (ঝার), (৬) মাইমুরা ইকরা , ফরিদগঞ্জ আওয়ামী লীগ নেত্রী, (৭) মোঃ কামাল নায়েব,(৮) মো: হাসিবুল আলম তালুকদার ,(৯) এস এম ফিরোজ আলম, (১০) মো: রিপন মুন্সী,(১১) নাসিম খান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী গণপূর্ত,(১২) মো: উজ্জল মিয়া,(১৩) মো: মোখলেছ ঠাকুর,,(১৪) শাহেদ মিয়া বাবুল( ল্যাব এইড বাবুল)(১৫) মোঃ আনছার উদ্দিন বেপারী, আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা,(১৬) কাজী তারেক সামশ, আওয়ামী লীগের অর্থদাতা,(১৭) মো: বাবু শেখ..(১৮) শংকর চন্দ্র হাওলাদার, (১৯) হিরোন চন্দ্র হাওলাদার.(২০) ঝন্টু চন্দ্র হাওলাদার, (২১) মো: আবুল কাশেম.(২২) মো: আতিকুল ইসলাম. নির্বাহী প্রকৌশলী গণপূর্ত অধিদপ্তর,(২৩) প্রশান্ত দত্ত, ইমারত পরিদর্শক ৪/১ মহাখালী রাজউক, (২৪) পাট্রিক পালমা. জিএম ক্লাব,(২৫) মোহাম্মদ আমান উল্লাহ, গণপূর্ত,(২৬) তাজুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের অর্থদাতা,(২৭) সরোয়ার জামান চৌধুরী, আওয়ামী লীগের অর্থদাতা,(২৮) কাজী মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম,, আওয়ামী লীগের অর্থদাতা, চেয়ারম্যান রূপালী ব্যাংক,,(২৯) মো: এনামুল হক, গণপূর্ত, বড়বাবু ১২ তলা,(৩০) মো: তরিকুল ইসলাম,(৩১) মাহফুজ আলম, স্টাফ অফিসার, গণপূর্ত,(৩২) মো: সাইফুজ্জামান চুন্নু, ফরিদপুর গণপূর্ত,(৩৩) আবু সুফিয়ান মাহাবুব, নির্বাহী প্রকৌশলী গোপালগঞ্জ গণপূর্ত,(৩৪) মোসলেহ উদ্দিন আহাম্মেদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী গণপূর্ত,(৩৫) মো: নেছার আহমেদ(বাবুল),, স্পা বাবুল,(৩৬) মো: আবুল হাসেম, আওয়ামী লীগের অর্থদাতা (৩৭) মোহাম্মদ বাহার,স্পা বাহার,(৩৮) তুষার মোহন সাধু খা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর,(৩৯) জোটন দেবনাথ, গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক। মামলার পর থেকে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী এসব প্রকৌশলী রয়েছেন গ্রেপ্তার আতঙ্কে। এদের বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় মামলা যার নং সি আর ৬৩/২৫ থানার এফ আই আর মামলা নং ০৬ তারিখ ০৩ মার্চ। অন্যদিকে দুর্নীতির দায়েও কাউকে কাউকে বিচারের মুখোমুখি করা হতে পারে বলে জানা গেছে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এসব প্রকৌশলী কাজে নিয়মিত নন। এতে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। অধিদপ্তরজুড়ে। এরই মধ্যে কয়েকজনকে ঢাকার বাইরে বদলি করা হয়েছে। তাতেও কাজে গতি ফেরেনি।

ক্ষমতাচ্যুত হাসিনা সরকারের আমলে বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতি করে শত শত কোটি টাকার মালিক হওয়া এসব প্রকৌশলী জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমনে কোটি কোটি টাকা জোগান দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের অনেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ জমা আছে এবং তদন্ত চলছে। এ ছাড়াও আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দুর্নীতিতে সামনের সারিতে থাকা এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তখন ব্যবস্থা নেওয়া তো দূরের কথা, অনেককেই বারবার পুরস্কৃত করা হয়েছে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় বসার পর আন্দোলন ভন্ডুল করার চেষ্টাকারীদের দোসর হিসেবে পরিচিত এসব প্রকৌশলীকে বিচারের মুখোমুখি করার প্রক্রিয়া চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসব প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে রাজধানীর পল্টন, রামপুরা ও সাভার থানায় পৃথক হত্যা মামলা হয়েছে। মামলা হয়েছে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেও। এদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সক্রিয় সদস্য।

আসামির তালিকায় থাকা কয়েকজন প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, এসব মামলার সঙ্গে জড়িত কয়েকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন। তাদের মূল উদ্দেশ্য মামলার আসামিদের বিভিন্ন চাপে রেখে ঠিকাদারি কাজ ও অর্থনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধাররা এখন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ মামলায় গ্রেপ্তারের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। টাকা দিলেই মামলা থেকে রেহাই পাব বলা হচ্ছে।

তারা আরো জানান, এটা সত্য যে, বিগত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডসহ দলীয়করণ ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। যারা বিগত সরকারের সময় সুযোগ-সুবিধা ভোগ ও দুর্নীতি-অনিয়ম করেছেন, তাদের অবশ্যই বিচার হওয়া উচিত। তা না করে ঢালাওভাবে মামলা দেওয়া হয়েছে। চাকরি হারানো এবং মামলায় গ্রেপ্তারের ভয় তো থাকবেই।

প্রকৌশলীদের অভিযোগ, মামলা নিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সুরাহা করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। গণপূর্ত অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কেউ-ই এ বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রকৌশলী গণমাধ্যমে জানান, এখানে যাদের হাতে ক্ষমতা থাকে তাদের ইচ্ছায় সব হয়। ছাত্র-জনতা হত্যার পাশাপাশি অনেকে দুর্নীতির সঙ্গেও জড়িত। তারা এখন প্রকৌশলী হওয়ার চেষ্টায় রয়েছেন। এর আগে গণপূর্তের এসব প্রকৌশলী জি-কে শামীমের সঙ্গে সখ্য গড়ে ব্যাপক দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন।

তারা আরো বলেন, কয়েক দিন আগে আশরাফুল আলম গণপূর্ত অধিদপ্তরে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (রিজার্ভ) হয়ে এসেছেন। এর আগেও তিনি গণপূর্তে ছিলেন। তখন তার বিরুদ্ধে বিপুল অনিয়মের অভিযোগ ছিল। দুর্নীতির দায়ে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক হিসেবে বদলি করা হয়।

কিছুদিনের মধ্যে তিনি প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব নেবেন এমন গুঞ্জন রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে; কিন্তু রহস্যজনক কারণে কোনো মামলা হয়নি। গণপূর্তের সবাই তাকে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা হিসেবে চেনেন।

অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য জানতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল আলমের মোবাইলে কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ শামীম আখতারের সঙ্গে মামলার বিষয়ে কথা বলতে গেলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব হামিদুর রহমান খান গণমাধ্যম কে কে বলেন, যারা দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা তাদের তালিকা হচ্ছে। কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে আদালত থেকে কোনো চিঠি আসেনি। এলে ব্যবস্থা নেব।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ছাড় দেওয়া যাবে না। যারা দুর্নীতি করেছেন এবং জড়িত আছেন, দ্রুত তদন্ত করে তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। তথ্য সূত্রে জানা যায়, প্রধান প্রকৌশলীর শামীম আখতারের একান্ত আস্থাভাজন সাইফুজ্জামান চুন্নু সকল অপকর্মের মূল হোতা। চুন্নু শামীম আখতারের আস্থাভাজন হওয়ার জন্য সকল অপকর্ম নিজ হাতে সমাধান করে থাকেন। নির্বাহী প্রকৌশলী আমানুল্লাহ সকল রোডম্যাপ করে দিতেন। আমানুল্লাহ প্রধান প্রকৌশলীর সকল অপকর্ম আড়াল করতে প্রধান প্রকৌশলীর টাকা পয়সা হেফাজত করে থাকেন। মামলার অভিযোগকারী আজীজুল হক তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে জানতে চাইলে সে জানান দেশ রক্ষা করতে ফ্যাসিস্ট হটিয়েছি। আসামীরা এতোটা হিংস্র যে পুলিশের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে আমাকে গুলি করে আমার দুটি চোখ নষ্ট করে দেন। দুচোখে গুলি করে আমার চোখ ছিনিয়ে নেন।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।