বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩

তারেক রহমানের পক্ষ থেকে মোহাম্মদপুর এলাকায় পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ জুন, ২০২৫, ৭:১৪ পিএম
তারেক রহমানের পক্ষ থেকে মোহাম্মদপুর এলাকায় পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী বিতরণ
48

ঢাকা-১৩ আসনের অন্তর্ভুক্ত মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলানগরের এলাকাবাসীকে কোরবানির পরপরই স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে স্থানীয়দের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

এই কর্মসূচির আওতায় বিতরণ করা হয়—ফেস মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, বিন ব্যাগ এবং ব্লিচিং পাউডার। ঈদের পর কোরবানির বর্জ্য দূর করতে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এসব সামগ্রী স্থানীয়দের মাঝে বিতরণ করা হয়। এই উদ্যোগটি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে জনগণের হাতে তুলে দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন আদাবর থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ। প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা, অস্ট্রেলিয়া ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং ভয়েস ফর বাংলাদেশ ডেমোক্রেসি অস্ট্রেলিয়ার প্রেসিডেন্ট কায়াস মাহমুদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন অস্ট্রেলিয়া ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল মোহাম্মেদ।

প্রধান অতিথি কায়াস মাহমুদ দেশ পুনর্গঠন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তব্য দেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী বিতরণ, যা সরাসরি বিএনপির রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফার ৩১ নম্বর দফা— ‘যুগোপযোগী, পরিকল্পিত, পরিবেশবান্ধব আবাসন ও নগরায়ন নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন’–এর একটি মাইলফলক উদাহরণ। এছাড়াও, এ কার্যক্রম ৯ নম্বর দফার আলোকে, ‘জনগণের নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও মানবিক জীবন নিশ্চিতকরণ’-এর সুনির্দিষ্ট প্রয়োগ হিসেবেও চিহ্নিত হয়।

প্রধান অতিথি কায়াস মাহমুদ বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতা শুধু একটি ব্যাক্তিগত অভ্যাস নয়, এটি একটি সামাজিক দায়িত্ব। কোরবানির পর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা মানে শুধু পরিবেশ রক্ষা নয়, বরং আমাদের পরিবার, প্রতিবেশী এবং সমাজের স্বাস্থ্য রক্ষা করা। এই সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে আমি কাজ করে যাচ্ছি। এই উদ্যোগ তারেক রহমানের নির্দেশনা ও অনুপ্রেরণায় পরিচালিত হচ্ছে, যিনি সব সময়ই সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সচেতনতাকে গুরুত্ব দিয়ে আসছেন।’

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।