সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

গাউসুল আজম মার্কেট দখলের দ্বন্দ্ব: ক্ষমতার আঁচে পুড়ছে ব্যবসায়ীদের স্বপ্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:০০ এম
গাউসুল আজম মার্কেট দখলের দ্বন্দ্ব: ক্ষমতার আঁচে পুড়ছে ব্যবসায়ীদের স্বপ্ন
55

নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর নীলক্ষেতের প্রাণকেন্দ্র গাউসুল আজম সুপার মার্কেট এখন দখলদারিত্বের আগুনে জ্বলছে। একসময় ব্যবসায়ীদের সুশৃঙ্খল বাণিজ্যের অন্যতম আস্থার প্রতীক এই মার্কেট আজ ভয় আর অনিশ্চয়তার আবর্তে আটকা পড়েছে। অভিযোগ উঠেছে, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সুযোগে সাবেক এক ছাত্রদল নেতা ক্ষমতার জোরে মার্কেটটি দখল করে নিয়েছেন। এর ফলে ব্যবসায়ীদের জীবিকা প্রায় থমকে গেছে।

২০০০ সালের শেষ দিকে ব্যবসায়ী মোতালেব মিয়া গাউসুল আজম সুপার মার্কেট প্রতিষ্ঠা করেন। তার দক্ষ তত্ত্বাবধানে মার্কেটটি হয়ে উঠেছিল ব্যবসায়ীদের নির্ভরতার জায়গা। সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রেখে তিনি দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় মার্কেট পরিচালনা করেছেন।

কিন্তু গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের রাজনীতিতে যে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে, তার আঁচ এসে পড়েছে এই মার্কেটে। অভিযোগ রয়েছে, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের প্রাক্তন যুগ্ম সম্পাদক কামাল হোসেন একদল সশস্ত্র ব্যক্তিকে নিয়ে মার্কেটে প্রবেশ করেন এবং মোতালেব মিয়াকে হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক মার্কেট থেকে বের করে দেন।

মার্কেট থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর গুরুতর আহত মোতালেব মিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। বর্তমানে মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ দখলকারী গোষ্ঠী ব্যবসায়ীদের উপর চাঁদাবাজি, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং নানা রকমের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে।

এক ব্যবসায়ী জানান, “আমাদের ব্যবসা চালানো এখন দুঃস্বপ্ন। প্রতিদিন চাঁদা দাবি করা হয়। বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়ায় কাজও করতে পারছি না। প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাইনি।”

অপর এক ব্যবসায়ী বলেন, “মোতালেব ভাইয়ের সময়ে আমরা শান্তিতে কাজ করতাম। এখন প্রতিটি মুহূর্তে ভয় পেতে হচ্ছে। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাকে দোকান বন্ধ করার হুমকি দেওয়া হয়।”

অস্থিরতা থেকে মুক্তি পেতে ব্যবসায়ীরা সমবায় অধিদপ্তরের কাছে একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। তাদের দাবি, মার্কেট পরিচালনায় একটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজন করা হোক।

এদিকে অভিযুক্ত কামাল হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।