মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

গাইবান্ধায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনে।

অর্পিতা চ্যাটার্জী, গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধি: প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫, ৫:৩৫ পিএম
গাইবান্ধায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনে।
51

গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড়ে সাংবাদিক পরিচয়ে মুক্তা মিয়া ও মিজানুর রহমান মিলনের চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে এলাকাবাসী।

তাদের শাস্তির দাবিতে বুধবার শহরের কাচারি বাজার এলাকায় ডিবি রোডে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। পরে একই দাবিতে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উক্ত চাঁদাবাজদের চাচাতো ভাই জুয়েল মিয়া।

মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন, সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের দক্ষিণ খোলাবাড়ী মাস্টারপাড়া গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে মুক্তা মিয়া ও মিজানুর রহমান মিলন ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সাংবাদিক পরিচয়ে নিরীহ ব্যক্তিদের কাছে চাঁদাবাজি করেছেন। তাদের এই চাঁদাবাজি এখনও অব্যাহত রয়েছে। তাদের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। চাঁদা দিতে না চাইলে তারা বিভিন্ন কৌশলে ও মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার শুরু করেন। মুক্তার মিয়ার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির একাধিক মামলা রয়েছে। এমনকি মুক্তার বিরুদ্ধে তার বাবা-মাও মামলা দায়ের করেছে।

সম্প্রতি মুক্তা মিয়ার জেঠাতো ভাই ঢাকায় বায়িং হাউজে কর্মরত জুয়েল মিয়াকে গাঁজা ও ইয়াবা ব্যবসায়ী বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম- ফেসবুকে অপপ্রচার চালায় মুক্তা মিয়া। তিনি ফেসবুকের ওই পোস্টটি জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অফিস ও পুলিশ সুপারকে ট্যাগ করেন। এ নিয়ে ডিএসবি তদন্তও করেন। কিন্তু জুয়েল মিয়ার বিরুদ্ধে কোনো মাদক দ্রব্য বিক্রির সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাননি তারা। এভাবেই মুক্তা মিয়া ও তার সহোদর ভাই মিজানুর রহমান মিলন এখনও এলাকার নিরীহ মানুষকে হয়রানী করে আসছে। তাদের দুজনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বক্তারা।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।