সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভাসংসদ ছাড়া সংবিধান সংশোধনের এখতিয়ার কারো নেই: মো. জহিরুল ইসলাম কলিম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫, ১:৪৬ পিএম
গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভাসংসদ ছাড়া সংবিধান সংশোধনের এখতিয়ার কারো নেই: মো. জহিরুল ইসলাম কলিম
50

আজ ২৫ জানুয়ারি বাকশাল প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্র হত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের এদিনে সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ১৩ মিনিটের বিল এনে সংসদে একদলীয় বাকশাল কায়েম করেন। এদিনে ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে গণতন্ত্র তথা মানুষের ভোটাধিকার হরণ করা হয় এবং চারটি ছাড়া সকল সংবাদপত্রকে নিষিদ্ধ করা হয়।

এ কালো দিবস উপলক্ষে জাগ্রতহ বাংলাদেশের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সভাকক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্বে করেন জাগ্রত বাংলাদেশ’র সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম কলিম।

অথিতি হিসাবে বক্তব্য রাখেন প্রজন্ম একাডেমি’র সভাপতি কালাম ফয়েজী, মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সভাপতি সৈয়দ মোজাম্মেল হোসেন শাহীন, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারী, জাগ্রত বাংলাদেশ’র সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু আহম্মেদ শাহ, বৈষম্য প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের সহ সভাপতি মো. মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, ইব্রাহিম হোসেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সাধারণ সম্পাদক মো. নবী হোসেন, বৈষম্য প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের সদস্য মেহেদী হাসান, নূরে জান্নাত প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে মো. জহিরুল ইসলাম কলিম বলেন, সংসদ ছাড়া সংবিধান সংশোধন করার এখতিয়ার কারো নেই। সংস্কার কমিটি কেবল সংশোধনের প্রস্তাব করতে পারে। কিন্তু সংস্কার কমিটি যে সংশোধনের কথা বলে কালক্ষেপণ করছে সেটা অনৈতিক। এখন প্রয়োজন দ্রুত নির্বাচন। কারণ দেশের তরুণ প্রজন্ম জীবনে একবারও আওয়ামী ফ্যাসিবাদের জন্য ভোট দিতে পারেনি।

জনাব মো. জহিরুল ইসলাম কলিম বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করুন। বর্তমানে উপদেষ্টাগণ জাতীয় দায়িত্ব পালন রেখে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপি ও সে দলের মহাসচিবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে আজেবাজে কথা বলছেন, যেটা ধৃষ্টতা ছাড়া আর কিছু নয়। তিনি তাদের সাবধানে কথা বলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন আপনারা ২০২৫ সালের মধ্যে নির্বাচন দিন। নির্বাচন দিয়ে কোন তালবাহানা জনগণ বরদাস্ত করবে না।

১৯৭৫ সালের এই দিনে শেখ মুজিব গণতন্ত্র হত্যা করেন। আমরা এদিনকে কালো দিবস হিসেবে পালন করি। আমরা আরেকটা কালো দিবস পালন করতে চাই না। যদি নির্বাচন নিয়ে কোন চক্রান্ত হয় তাহলে বিএনপি দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে।

তিনি প্রফেসর ইউনূসের উদ্দেশ্যে বলেন আপনি নিজের প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংকের ৬০০ কোটি টাকা মার্জনা করেছেন। আপনি যতদ্রুত সম্ভব ট্যাক্সের টাকা ফেরত দিবেন।

প্রজন্ম একাডেমির সভাপতি কালাম ফয়েজী বলেন, আজ গণতন্ত্র হত্যা দিবস। কিন্তু আমার জানামতে বাংলাদেশের আর কোথাও এ দিবস পালিত হচ্ছে না। জাগ্রত বাংলাদেশ এ আয়োজন করায় সংগঠনের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন জুলাই বিপ্লব আজই প্রথম নয়, ১৭৮৯ সালে ফরাসী বিপ্লব হয় এবং এ বিপ্লবের ফলে বাস্তিল দূর্গের পতন ঘটে। ১৪ জুলাই এ ঘটনা ঘটেছে বলে তাকেই জুলাই বিপ্লব বলা হয়। বাংলাদেশের ২০২৪ সালের বিপ্লবটা ৫ আগস্টে ঘটলেই একে জুলাই বিপ্লব বলা হয়। এ বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল গণতন্ত্রের জন্য, মানুষের ভোটাধিকারের জন্য। যদি অন্তর্বর্তী সরকার মানুষের সেই আকাঙ্খা পূরণ করতে না পারেন তাহলে সেটা হবে তাদের ব্যর্থতা। আমরা এ সরকারের ব্যর্থতা দেখতে চাই না।

মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সভাপতি সৈয়দ মোজাম্মেল হোসেন শাহীন বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূসকে ফ্যাসিবাদী হাসিনা যখন চেপে ধরেছিল এবং মামলা দিয়ে তাকে হয়রানি করছি তখন আমরা ছাড়া তার পক্ষে কথা বলার কেউ ছিল না। কিন্তু দূর্ভাগ্য হল- তিনি প্রধান উপদেষ্টা হয়েছেন, কিন্তু আমরা তার সঙ্গে একবারও দেখা করতে পারিনি। মনে হয় তিনি তথাকথিত গোষ্ঠি দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে আছেন। তারপরও আমরা চাই তিনি সফল হোন।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।