শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩

কুয়াকাটা সৈকতে চার কোটি টাকার নির্মণাধীন সড়ক লন্ডভন্ড, তদন্ত কমিটি গঠন

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি/এস আর প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫, ১২:০০ পিএম
কুয়াকাটা সৈকতে চার কোটি টাকার নির্মণাধীন সড়ক লন্ডভন্ড, তদন্ত কমিটি গঠন
48

বঙ্গোপসাগরে গভীর জলোচ্ছ্বাসের প্রভাবে সৃষ্ট  কুয়াকাটা সৈকতের সদ্য নির্মিত সড়ক লন্ডভন্ড হওয়ার খবরটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। এনিয়ে মানুষ বিভিন্ন ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য করছেন। বিষয়টি কলাপাড়ার গোটা উপকূলে আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

এদিকে গণমাধ্যম ও ফেসবুকে এ খবর ভাইরাল হওয়ার প্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পরে এ ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠণ করা হয়েছে। কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মোহাম্মদ ইয়াসীন সাদেককে আহ্বায়ক করে এই কমিটি গঠণ করা হয়েছে। যেখানে পানি উন্নয়ন বোর্ড কলাপাড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী, কলাপাড়া জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে সদস্য করা হয়েছে। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম এই কমিটি গঠণ করেছেন। আগামি সাত দিনের মধ্যে এ কমিটিকে মতামত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

কমিটি গঠনের চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন নির্মানাধীন রাস্তাটি খুবই দৃষ্টিকটুভাবে ভেঙে পড়েছে। রাস্তাটির নির্মাণ কাজ খুবই নিম্নমান। নিম্নমানের লোকাল বালি আর পাতলা সিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে রাস্তাটির কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। নির্মাণের প্রাক্কলনে কোন ধরনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়নি মর্মে প্রতীয়মান হয়েছে। স্থানীয়ভাবে জনগণ, গণমাধ্যম তথা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হলেও উক্ত প্রকল্প কমিটি ও তৎকালীন পৌর কর্তৃপক্ষ কোন কর্ণপাত করেনি।

এর আগে, কুয়াকাটা সৈকতের শূণ্যপয়েন্টের পূর্বদিকে ট্যুরিজম পার্ক থেকে পূর্বদিকে তিনটি প্যাকেজে মোট দুই কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেন বিগত সরকারের সময় থাকাকালীন মেয়র আনোয়ার হাওলাদার। প্রথম দফায় ১৩ শ’ মিটার অংশের কাজ সম্পন্নের চেষ্টা করেন। বাকি ৭০০ মিটারের কাজ শুরু হয়নি। কিন্তু হঠাৎ করে বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বেলা ১১টা থেকে প্রায় দেড়টা পর্যন্ত সাগরের অস্বাভাবিক জোয়ারের জলোচ্ছ্বাসে গোটা সৈকতজুড়ে ব্যাপক তান্ডব চালায়। আর এতেই সড়কটির দুই তৃতীয়াংশ বিধ্বস্ত হয়ে যায়। লন্ডভন্ড হয়ে যায়। ভেসে যায় সড়কের ভগ্নাংশ সাগরের জোয়ারে। বিষয়টি তাৎক্ষণিক গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হয়ে যায়। ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়ে।

পরিবেশ ও পর্যটন উন্নয়ন কর্মী কেএম বাচ্চু ফেসবুকে বলেছেন, ব্যর্থ উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে এবং দায়ীদের চিহ্নিত করতে হবে। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও গণমাধ্যমের প্রতি অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান জানাই।

অনেকে সাবেক মেয়র আনোয়ার হাওলাদারের এটি ব্যক্তিগত প্রকল্প বলেও তার বিচার দাবি করেছেন। টেন্ডার না দিয়ে আগেই তার আত্মীয় দিয়ে কাজ শুরু করেছেন বলেও মতামত দিয়েছেন অনেকে। এটিকে স্থানীয়রা সাবেক মেয়র আনোয়ার হাওলাদারের চার কোটি টাকার বাণিজ্যিক প্রকল্প হিসেবে বলে আসছেন। কোন ধরনের বাস্তবতা নীরিক্ষা ছাড়াই সাগরের ওয়াটার লেভেল দখল করে করা হয়েছে এ ঝুঁকিপুর্ণ সড়ক।

তবে অপসারিত মেয়র আনোয়ার হাওলাদার জানান, ওই প্রকল্পটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় টেন্ডার দিয়ে কাজ শুরু করা হয়েছে। কেবল সিসি কাজ চলমান রয়েছে। এরপর আরসিসির কাজ হওয়ার কথা। ঢেউয়ের ঝাপটা ঠেকাতে গাইডওয়াল করার ডিজাইন রয়েছে। আর বিল তোলা, কত তোলা হয়েছে, এসব বিষয় প্রকৌশলীরা বলতে পারবেন। তবে একটি সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে মোট ৬৩ লাখ টাকার বিল ঠিকাদারকে প্রদান করা হয়েছে।

সাগরঘেষা সড়ক বিধ্বস্তের বিষয় কথা বলতে কুয়াকাটা পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী নিয়াজুর রহমান কে মোবাইল করলে তিনি রিসিভ করেননি। তবে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো রবিউল ইসলাম জানান, গোটা বিষয়টি তদন্ত কমিটি মতামত দিলে পরিষ্কারভাবে বলা যাবে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।