রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

কলাপাড়ায় জলবায়ু পরিবর্তন শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০২৫, ৭:৪১ পিএম
কলাপাড়ায় জলবায়ু পরিবর্তন শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা
47

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ‘জীবাশ্ম জ্বালানি নয়, একমাত্র নবায়নযোগ্য জ্বালানি রুখতে পারে জলবায়ু পরিবর্তন’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা ধানখালী ডিগ্রি কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ মে) দুপুরে কলেজ মিলনায়তনে কলেজের বিভিন্ন বর্ষের ৮ জন শিক্ষার্থী এই বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। সভাপত্বি করেন কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ বশির আহমেদ। মডারেটর ছিলেন সাংস্কৃতিক সংগঠক ও কলাপাড়া শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষক মোস্তফা জামান সুজন। বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন সহকারী অধ্যাপক সজল চন্দ্র ভাট, প্রভাষক মো. মামুন হোসেন, মোসাম্মৎ রেহেনা পারভিন। ধানখালী ডিগ্রি কলেজ, ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটার কিপার্স বাংলাদেশ ও আমরা কলাপাড়াবাসী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

বিষয়ের পক্ষের প্রতিযোগী ছিলেন শিক্ষার্থী মোসাম্মৎ ফারজানা, উম্মে হানি, লামিয়া , আশুরা। বিপক্ষের প্রতিযোগী ছিলেন শিক্ষার্থী মোঃ সোহেল, তাজিয়া, মারিয়া ও রণি।

বিজয়ী ও বিজিত দলের প্রত্যেককে পরিবেশ বিষয়ক বই পুরুষ্কৃত করা হয়। দলীয়ভাবে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। শ্রেষ্ঠ বক্তার পুরষ্কার জিতে নেন শিক্ষার্থী মারিয়া।

বিশেষ বক্তব্য রাখেন পরিবেশ সংগঠক মেজবাহউদ্দিন মাননু। এসময় পরিবেশ কর্মী নজরুল ইসলাম, সাইফুল্লাহ মাহমুদ, কলেজ শিক্ষক জাকির হোসেন মৃধাসহ বিভিন্ন বিষয়ের প্রভাষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিযোগিরা জিবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের বিভিন্ন নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের ওপর জোর দেন। পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

কলেজ অধ্যক্ষ মো. বশির আহমেদ বলেন, বিতর্ক প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে বাস্তবমুখি শিক্ষা লাভের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা মেধা বিকাশের সুযোগ লাভ করতে পারে। তাই বেশি বেশি বিতর্ক অনুষ্ঠান করা প্রয়োজন।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।