সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩

এনসিসি গঠন ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে সমাধান আসেনি: সালাহউদ্দিন আহমেদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫, ৭:২১ পিএম
এনসিসি গঠন ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে সমাধান আসেনি: সালাহউদ্দিন আহমেদ
50

ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে ৭০ অনুচ্ছেদ, সংসদের স্থায়ী কমিটি, নারী আসন ও প্রধান বিচারপতির নিয়োগ, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও এনসিসি গঠন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপির সালাহউদ্দিন আহমেদ। ফাইল ছবি

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে কোনো সমাধানে আসা যায়নি বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে তৃতীয় দিনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিগত ৩ দিন যে আলোচনা করেছি তার মধ্যে ৭০ অনুচ্ছেদ, সংসদের স্থায়ী কমিটি, নারী আসন ও প্রধান বিচারপতির নিয়োগ বিষয়ে কথা হয়েছে। বুধবারের আলোচনায় এনসিসি ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়, যা নিয়ে সমাধানে আসা যায়নি। তাই আজও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তবে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কী হবে, কারা তাকে নির্বাচিত করবেন এবং দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদের আলোচনা আবার এসেছে। কারণ ইলেক্ট্রোরাল ভোটের বিষয় এসেছে, যেটি চলমান।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নিয়ে আলোচনা চলছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিদ‍্যমান পদ্ধতিতে চায়। সরাসরি যারা নির্বাচিত হবেন তারা এবং উচ্চ কক্ষের ১০০ ও নারী আসনে ১০০ জন মিলে এ সিদ্ধান্ত নেবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য আরও বলেন, যেহেতু আমরা ৭০ অনুচ্ছেদ ওপেন করেছি, তাই আমরা মনে করি সংসদ সদস‍্যরা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। সেখানে গোপন ভোট হতে পারে। দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদের  সিদ্ধান্ত এখনও পেনডিং রাখা আছে। দুই তৃতীয়াংশ ভোট পেয়ে সংবিধান সংশোধন করতে পারবে। তবে পিআর পদ্ধতিতে আপার হাউজ ভোট রাখা হলে অর্ধেক মেজরিটি পাবে না, তাই এটি আমরা সমর্থন করি না।

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ বিষয়ে তিনি বলেন, পর পর মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী হবেন না। আর স্বৈরাচার ফরমেশন ঠেকাতে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করতে হবে। তখন এনসিসি গঠন করা লাগে না বলে মনে করেন বিএনপির এ সিনিয়র নেতা

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।