বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

ঈদের পর্যটকে মখরিত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত, ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি 

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি/এফ.বি প্রকাশিত: সোমবার, ৯ জুন, ২০২৫, ৬:৩৬ পিএম
ঈদের পর্যটকে মখরিত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত, ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি 
51

ঈদের ছুটি মানেই আনন্দ, অবকাশ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানোর অপার সুযোগ। আর সেই আনন্দ যদি মিশে যায় সাগরের ঢেউ, সূর্যোদয় আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে—তাহলে তো তা হয়ে ওঠে এক স্বপ্নময় অভিজ্ঞতা। ঠিক এমনই এক স্বপ্নঘেরা আনন্দময় চিত্র দেখা গেছে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে।

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি, সাপ্তাহিক ও সরকারি বন্ধ মিলিয়ে টানা ১০ দিনের অবকাশে কুয়াকাটা সমুদ্র  সৈকত পর্যটকে মুখরিত।  পরিণত হয়েছে এক উৎসবের রঙিন মেলায়। ঈদের তৃতীয় দিন সকাল থেকেই  হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে সাগরপাড়ে। পরিবারের সঙ্গে, বন্ধুদের নিয়ে কিংবা প্রিয়জনের হাত ধরে মানুষ ছুটে এসেছে প্রকৃতির পরম ছায়ায় শান্তি খুঁজতে।

ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি, বরগুনা, পটুয়াখালী—চারপাশের জেলা থেকে মানুষ ছুটে এসেছে কুয়াকাটার দিকে। যেন এক আনন্দভ্রমণের ঢেউ আছড়ে পড়েছে উপকূলজুড়ে। পর্যটক আর দর্শনার্থীদের প্রাণচাঞ্চল্যে মুখরিত হয়েছে সৈকতের একেকটি প্রান্ত।

লেম্বুর বন, শুঁটকি পল্লি, ঝাউবাগান, গঙ্গামতি কিংবা বৌদ্ধ বিহার—প্রতিটি স্পটেই পর্যটকদের পদচারণায় মুখর। কেউ সাঁতার কাটছেন, কেউ ঢেউয়ের গর্জনে মুগ্ধ, কেউ আবার সূর্যাস্তের রক্তিম আভায় হারিয়ে যাচ্ছেন অন্য জগতে। ছোটরা ঘোড়ার গাড়িতে মেতে উঠেছে আনন্দে, বড়রা ইজিবাইক কিংবা মোটরবাইকে দিচ্ছেন সৈকতভ্রমণ।

ভ্রমণপ্রিয় সোহেল আহম্মেদ  এসেছেন পিরোজপুর থেকে। শনিবার “সকালে বন্ধুদের নিয়ে এসেছি কুয়াকাটায়। সাগরের ঢেউয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছি, হাসি-আনন্দে সময়টা যেন স্বপ্নের মতোই কেটেছে।”

বরিশাল থেকে আসা সিফাত-রিমতি দম্পতি বলেন, “আমরা প্রায়ই আসি কুয়াকাটায়। সমুদ্রের ধারে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় কিংবা সূর্যাস্ত দেখা—এটা আমাদের কাছে কখনো পুরনো হয় না। এখানকার পরিবেশ মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়।তবে ঈদের ছুটিতে রবিবার থেকে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের ঢল নামবে কুয়াকাটায়। 

খাবার হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ কালিম বলেন,এখানে সব খাবার হোটেলের মান আগের চেয়ে অনেক ভাল হয়েছে এবং দামেও সস্তা। আজকে ভালোই পর্যটক এসেছে, ঈদের ১০ দিনের ছুটিতে কুয়াকাটায় লক্ষ লক্ষ পর্যটকের সমাহার হবে।

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, “ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের সংখ্যা চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। সোমবার থেকে আরও বেশি পর্যটকের আগমন আশা করছি।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, “সৈকতের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি থানা, নৌ ও ডিবি পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে। পর্যটকরা নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন।”

কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক মো,ইয়াসীন সাদীক বলেন, ঈদুল আযহার বন্ধে আজ প্রচুর পর্যটক আসছে, সামনের দিনগুলোতে আরো পর্যটক বাড়েছে।কুয়াকাটা পৌরপ্রশাসন পর্যটকদের সেবায় সার্বক্ষনিক প্রস্তুত। তার সাথে টুরিস্ট ও থানা পুলিশ সহ উপজেলা প্রশাসনও প্রস্তুত রয়েছে।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।