বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

বঙ্গোপসাগরে জেলের  জালে ধরা পরলো বিরল প্রজাতির টিয়া মাছ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ জুন, ২০২৫, ৫:০০ পিএম
বঙ্গোপসাগরে জেলের  জালে ধরা পরলো বিরল প্রজাতির টিয়া মাছ
51

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলে আবু সালেকের জালে ধoরা পড়েছে চারটি বিরল প্রজাতির মাছ, যা স্থানীয়ভাবে ‘টিয়া মাছ’ বা ‘প্যারট ফিশ’ নামে পরিচিত। গত বুধবার রাতে পায়রা বন্দরের শেষ বয়া এলাকায় মাছগুলো ধরা পড়ে এবং আজ বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুর ১১টার দিকে আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের খান ফিশ আড়তে নিয়ে আসা হয়।

গত ৪ জুন চট্টগ্রামের বাঁশখালী থেকে ‘এফবি আল্লাহর দোয়া- ৪’ নামের একটি ট্রলারে ১৭ জন জেলে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে সাগরে গিয়েছিলেন। সমুদ্রে জাল ফেললে অন্যান্য মাছের সঙ্গে বিরল প্রজাতির এই চারটি মাছও ধরা পড়ে। মাছগুলোর মোট ওজন প্রায় ৫ কেজি। নিলামের মাধ্যমে ৫০০ টাকা কেজি দরে মাছগুলো ২৫০০ টাকায় কিনে নেন পাইকারি মাছ ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ।

জেলে আবু সালেক জানান, গতকাল রাত ১২টার দিকে সাগরে জাল ফেললে ইলিশ এবং পোয়াসহ অন্যান্য মাছের সঙ্গে এই টিয়া মাছগুলো ধরা পড়ে। এর আগে কখনো তাদের জালে এমন মাছ ধরা পড়েনি। মাছগুলো পোয়া মাছের সঙ্গেই নিলামে বিক্রি করা হয়েছে।

নিলামে মাছগুলো কিনে নেওয়া ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ জানান, মাছগুলো বিক্রির জন্য চট্টগ্রামে পাঠানো হবে। ইতোমধ্যেই বরফ দিয়ে মাছগুলো সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং তিনি ভালো দামে বিক্রির আশা করছেন। মৎস্য ব্যবসায়ী ও খানফিস আড়তের স্বত্বাধিকারী রহিম খান বলেন, এ ধরনের মাছ সচরাচর পাওয়া যায় না। এর আগেও একবার তাদের আড়তে ছোট আকারের এমন মাছ এসেছিল। তিনি আরও জানান, মাছগুলো খেতে সুস্বাদু।

মাছটি দেখতে আসা সত্তার  মুন্সি বলেন, এই মাছ আমি কখনো দেখিনি।এই  মাছটি প্রথম  দেখলাম, দেখতে খুব সুন্দর। 

উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মাছটি Scaridae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এবং এর বৈজ্ঞানিক নাম Scaridae Cetoscarus। স্থানীয়ভাবে এটি প্যারট ফিশ, টিয়া মাছ বা নীল তোতা নামে পরিচিত। বাংলাদেশে এই মাছ বিরল হলেও ভারত মহাসাগরে এটি বেশি পাওয়া যায়। দক্ষিণ চীন সাগরের ফিলিপাইন উপকূল পর্যন্ত এর বিচরণ রয়েছে।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, মাছগুলো বাংলাদেশে সচরাচর দেখা যায় না। এটি Scarus Zuffer যা ধোফার প্যারোটফিশ নামেও পরিচিত। এই প্রজাতির মাছ পাথুরে আবরণ থেকে শেওলা খেতে অভ্যস্ত। শেওলার সঙ্গে ক্যালসিয়াম খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করায় মাছটির আঁশ খুব মজবুত ও পুরু হয়। সাধারণত ১২ থেকে ২০ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের হলেও কিছু ক্ষেত্রে এই মাছ ১.৩ মিটার বা ৪ ফুট ৩ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। মাছগুলোর দেহে তোতা পাখির মতো নীল ছোপ ছোপ দাগ এবং লেজের মাঝখানের অংশ উজ্জ্বল সোনালি-হলুদ রঙের হয়।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।