বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩

সংবাদ প্রচারের সময় এ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কা: প্রতিবাদে সাংবাদিকের অনসন।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ জুন, ২০২৫, ১০:৩৮ পিএম
সংবাদ প্রচারের সময় এ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কা: প্রতিবাদে সাংবাদিকের অনসন।
47

পটুয়াখালীতে এ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট নিয়ে সরাসরি সংবাদ প্রচারের সময় মো. রায়হান নামের এক সাংবাদিককে এ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কার প্রতিবাদে প্রতীকী অনসনে বসেছেন তিনি।

শুক্রবার বেলা এগারোটায় কিছু প্ল্যাকার্ট হাতে নিয়ে তিনি পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের সামনে অনসনে বসেন। পরে রায়হানের সঙ্গে বিভিন্ন গনমাধ্যমে কাজ আরও বেশ কয়েকজন সাংবাদিকসহ স্থানীয় বেশ কয়েকজন যুক্ত হন। মো. রায়হান অনলাইন নিউজ পোর্টাল ডাকা পোষ্ট. কমের পটুয়াখালী প্রতিনিধি। এছাড়া তিনি স্থানীয় সাংবাদ ভিত্তিক ফেসবুক পেইজ খবর পটুয়াখালীতে কাজ করেন।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বেপড়োয়া এ্যাম্বুলেন্স সিন্ডকেটের কারনে জিম্মি হয়ে পরে রোগীসহ তাদের স্বজনরা। এ নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে এ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের প্রতিবাদ করে আসছে স্থানীয় মানুষ সহ হাসপাতালের রোগী এবং স্বজনরা। এঘটনায় এ্যাম্বুলেন্সে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি সংবাদও প্রচার করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এক মুমুর্ষ রোগীকে ঢাকায় রেফার করে কর্তব্যরত চিকিৎসক। পরে রোগীর স্বজনরা ঢাকাগামী একটি এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করেন এবং রোগীকে ওই এ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। এসময় ওই এ্যাম্বুলেন্স চালকের কাছে একটি ফোন আসলে তিনি ওই রোগীকে ঢাকায় নিয়ে যেতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। প্রায় দেড় ঘন্টা ওই রোগীকে রাস্তায় মধ্যে ফেলে রাখেন। এমন সংবাদের ভিত্তিতে মো. রায়হান হাসপাতালের সামনে যান। পরে তিনি সংবাদ ভিত্তিক ফেসবুক পেইজ খবর পটুয়াখালীতে সরাসরি সম্প্রচার শুরু করেন। এসময় পেছন থেকে একটি এ্যাম্বুলেন্স এসে তাকে ধাক্কা দেয়। তারপরও তিনি বিচ্যুতি না হয়ে তার সম্প্রচার চালিয়ে যান। পরে এ ঘটনার প্রতিবাদে তিনি বেলা এগারোটার দিকে অনসন শুরু করেন। তার হাতে থাকা প্ল্যাকার্টগুলোতে লেখা ছিলো “এ্যাম্বুলেন্স গুলোই যেন লাশের মিছিল”, “রোগী বাচুক, সিন্ডিকেট নয়”, “রুখে দাড়ান, আওয়াজ তুলুন”।


সাংবাদিক মো. রায়হান বলেন, আমি যখন সরাসরি সম্প্রচার শুরু করি তখন হাসপাতাল এরিয়ার মধ্যে ১০ থেকে ১৫ টি এ্যাম্বুলেন্স ছিলো। সম্প্রচার শুরুর সঙ্গে সঙ্গে এ্যাম্বুলেন্সগুলো হাসপাতাল ত্যাগ শুরু করে। এসময় একটি এ্যাম্বুলেন্স আমাকে পেছন থেকে তিন থেকে চারটি ধাক্কা দেয়া। এবং সে আমার শরীরের উপর দিয়ে চলে যেতে হয়। শেষ বারের ধাক্কা আমার সঙ্গে যে ক্যামেরায় ছিলেন তিনি সেটি প্রচার করতে পেরেছিলেন। ওই এ্যাম্বুলেন্সে যে চালক ছিলো তার নাম সবুজ। এ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকিটের কাছে পুরো জেলাবাসী জিম্মি। এর শেষ কোথায়। এসব বেপড়োয়া সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রশাসন পদক্ষেপ না নিলে জেলাবাসী রুখে দাড়াবে এবং আমরা সরাসরি আন্দোলনে নামবো। পটুয়াখালী বাসি এই সিন্ডিকেট এবার ভাঙবেই।


এ বিষয়ে জানাতে এ্যাম্বুলেন্স চালক সবুজের সঙ্গে হাসপাতাল চত্ত্বর এলাকায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।


পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফিন বলেন, আমরা একবার অভিযান করেছি। পরে তাদের বেশ কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছিলো। ঈদের পরে আবারও তাদের সঙ্গে বসা হবে। এরপরও নির্দেশনা না মানলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হইবে এবং এভাবে সিন্ডিকেট চলতে দেয়া হবেনা।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।