শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩

কলাপাড়ায় ঝড়োহাওয়া ও জলোচ্ছ্বাস, অর্ধলক্ষাধিক বিদ্যুৎ গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫, ৩:৩৭ পিএম
কলাপাড়ায় ঝড়োহাওয়া ও জলোচ্ছ্বাস, অর্ধলক্ষাধিক বিদ্যুৎ গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন
49

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিম্নচাপের প্রভাবে প্রবল ঝড়োহাওয়া ও জলোচ্ছ্বাস এর তান্ডবে উপজেলার প্রায় ৬০ হাজার বিদ্যুৎগ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন রয়েছেন। বিদ্যুৎ লাইনের ওপর গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ায় এখন পর্যন্ত এসব গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা যায়নি। ফলে গ্রাহকরা ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন। উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের দুইটি জোনাল অফিস রয়েছে। যেখানে গ্রাহক সংখ্যা প্রায় এক লাখ ১০ হাজার।  যার অর্ধেকের বেশি গ্রাহক গত ২৪ ঘন্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎবিহীন রয়েছেন।

কলাপাড়া জোনাল অফিসসূত্রে জানা গেছে, তারা তাঁদের আওতাধীন প্রায় ৭০ হাজার গ্রাহকের মধ্যে প্রায় অর্ধেক গ্রাহকের বিদ্যুৎ লাইন চালু করেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পরে বিদ্যুৎ লাইন একদফা চালু করলেও রাতের ঝড়ে আবার গাছপালা ভেঙে লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দুই একটা খুটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে কলাপাড়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম জানালেন। ৬টি লাইনের তিনটি কোনমতে সচল করেছেন। সকাল থেকে কর্মীরা মাঠ পর্যায়ে কাজে নেমেছেন।

মিঠাগঞ্জের আজিমদ্দিন গ্রামের বাসীন্দা আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার জানান, দুইদিন ধরে তাদের এলাকায় কারেন্ট নাই। ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের গ্রাহক আফসার উদ্দিন জানান, কারেন্ট না থাকায় তারা সমস্যায় পড়েছেন। মোবাইল পর্যন্ত চার্জ দিতে পারছেন না। যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছেন।

কুয়াকাটা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম মোতাহার উদ্দিন জানান, তাদের একটিভ ২৮ হাজার গ্রাহক রয়েছে। রাতে লাইন চালু করেছিলেন। আবার চলে গেছে। রাতের ঝড়ে গাছপালা ভেঙে লাইনের ওপর পড়েছে।  নবীনপুর এলাকায় এমন সমস্যা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালেও লাইন করলে ফল্টের কারণে মুহূর্তেই আবার চলে গেছে। তারা চেষ্টা করছেন বিদ্যুৎ লাইন সচল করার। তবে গ্রামের অর্ধেক গ্রাহক প্রায় দেড়-দুইদিন ধরে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।