রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

ধানখালী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বশির আহমেদ এর বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ।

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ মে, ২০২৫, ৬:২০ পিএম
ধানখালী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বশির আহমেদ এর বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ।
65

পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার, ধানখালী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ বশির আহমেদ এর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ।

আওয়ামী ফ্যাসিবাদ সরকারের দোসর ধানখালী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ বশির আহমেদ এর বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অপকর্ম ,দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য সহ জমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ।

তদন্ত সুত্রে জনাযায় আশুগঞ্জ পাওয়ার প্লান্ট এর জমি অধিগ্রহণের (১৩ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩২৩ টাকা এবং ক্ষতিপূরণ বাবদ ১ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। কলেজের গাছ বিক্রি ৩০ হাজার টাকা, কলেজের দোকান ভাড়া বাবদ ৪৬,৫৮৮ টাকা সহ কলেজ নামিয় জমির ক্ষতিপূরন ১৪ লক্ষ টাকাও আত্মসাৎ করছে বলে জানা গেছে। সরকারের অনুমতি ব্যতীত একাধিকবার বিদেশ সফর করেছেন। কলেজের শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে উৎকোচ গ্রহণ করেছেন।
এছাড়াও ৪ নং মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের, পূর্ব মধুখালী সালিয়া দাখিল মাদ্রাসা দুই মেয়াদে গভর্নিং বডির সভাপতি ছিলেন। সেখানেও স্বজনপ্রীতি করে নিয়োগ বাণিজ্য করেছেন বলেও জানা গেছে।

কলেজের অধ্যক্ষ থাকা কালিন ছাত্র/ছাত্রীদের দিয়ে ফ্যাসিবাদ সরকারের মিছিল মিটিং করাতেন, শিক্ষকসহ সকল কর্মকর্তাকে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করাতে বাধ্য করতেন তিনি। তিনি নিজে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ গ্রহণ করেছেন।

কলেজ সম্পর্কিত ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দেন, মোঃ মনিরুল ইসলাম (সহকারী শিক্ষা পরিদর্শন) পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঢাকা, সুলতান আহমেদ (অডিট অফিসার) পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে এবং অভিযোগ সমূহ প্রমানিত হওয়ার প্রেক্ষিতে আইনঅনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তাকে চাকরিচুত্য করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সবশেষ কারন দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে গত ২১/০৫/২০২৫ তারিখ। ৩ দিনের সময় দিয়ে প্রেরিত উক্ত নোটিশ ইতোমধ্যে তিনি রিসিভ করেছেন। আগামী ২১/০৫/২০২৫ তারিখে তার বেতন ভাতা বন্ধ সহ সাময়িক বরখাস্তের আদেশ হবে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মো: মঈন উদ্দিন।

এবিষয়ে অধ্যক্ষ বশির আহমেদ জানান, ঘটনা সব ঠিক আছে তবে টাকার যে বিষয় টা বলা হয়েছে, আমি সব খরচের ভাউচার দিয়েছি কিছু ভাউচার তারা পায়নি বিদায় আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠছে। তবে আমি তিন কার্জ দিবসের মধ্যে জবাব দেয়ার জন্য প্রস্তুত আছি।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।