রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

কুয়াকাটা সৈকতের মার্কেট নির্মাণের অভিযোগে কলাপাড়া ইউএনওকে শোকজ।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ মে, ২০২৫, ৯:৫৪ পিএম
কুয়াকাটা সৈকতের মার্কেট নির্মাণের অভিযোগে কলাপাড়া ইউএনওকে শোকজ।
48

জেলা প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কুয়াকাটা সাগর সৈকত জামে মসজিদ সংলগ্ন মার্কেট নির্মাণের অভিযোগে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রবিউল ইসলাম কে শোকজ নোটিশ করা হয়েছে। আগামী ৭ কার্য দিবসের মধ্যে কারন দর্শানোর জন্য বলা হয়েছে।

জানাগেছে, কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টে অবস্থিত সাগর সৈকত জামে মসজিদ সংলগ্ন মহাসড়কের পাশে জেলা প্রশানের অনুমতি ব্যাতিরেকে মার্কেট নির্মাণ করছে ইউএনও। মসজিদের মুসুল্লীদের দাবি যে জমিতে মার্কেট নির্মাণ করা হচ্ছে ওই জমি মসজিদ কতৃপক্ষের।
অপরদিকে ওশান গ্রুপ, স্থানীয় জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও রহিম খান গংরা দাবী করছেন, বিরোধপুর্ন ঔ জমি ক্রয় সুত্রে তারা মালিক।

তারা আরো দাবি করেন, ২৮৯৭/২০১০ মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আদেশে ৪ একর ৭৭ শতাংশ জমির মালিক সাব্যস্ত হয় মালেক ফরাজি গং। উক্ত মালেক ফরাজী সুপ্রিম কোর্টে ডিগ্রি প্রাপ্ত হইয়া ১২/৮/২০১৫ ইং তারিখ কুয়াকাটা সাগর সৈকত জামে মসজিদ এর অনুকূলে ১০ শতাংশ ভূমি সাব কবলামূলে বিক্রয় করেন। অত্র মসজিদটি সাব-কবলা দলিলমূলে মালিক থাকিয়া অত্র জমিটি ভোগ দখলে আছে। অন্যদিকে ওশান গ্রুপ কতৃপক্ষ দাবি করেন, মালেক ফরাজি গংদের কাছ থেকে ৪ একর ৭৫ শতাংশের মালিক তারা। যার বিএস রেকর্ড সরকারের নামে থাকায় তারা আদালতে রেকর্ড সংশোধনী মামলা করেছেন।


মসজিদ কমিটির দাবী অত্র জমি কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রবিউল ইসলাম জোরপূর্বক দখল করে তার খেয়াল খুশিমতো প্রকল্প দিয়ে একটি মার্কেট নির্মাণ করছে। এতে কোটি টাকার বাণিজ্যে লিপ্ত হয়ে পরেছে ইউএনও।


এ বিষয়ে মসজিদ কতৃপক্ষ একাধিকবার বাধা দিলেও ইউএনও তা শুনছেন না। এরই প্রেক্ষিতে পটুয়াখালী ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মসজিদ কমিটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নম্বর ৫৫৭/২৫। উক্ত মামলায় গত ১৪ই মে, ২০২৫ ইং পটুয়াখালী যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতের বিচারক কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে আগামী ৭ কার্য দিবসের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এবিষয়ে মসজিদের মুসুল্লি মোঃ জাহাঙ্গীর হাওলাদার বলেন, ইউএনও মসজিদ কমিটিকে তোয়াক্কা না করে মসজিদের জমিতে অবৈধভাবে জোরপূর্বক মার্কেট নির্মাণ করছেন। যার কারণে মসজিদ কমিটি মামলা করতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি আরো বলেন, জেলা প্রশাসন বেরীবাধের বাহিরে স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। অথচ ইউএনও নিজেই নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে মসজিদ এবং পাবলিকের জমিতে অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণ করছেন।


এবিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, স্থাপনা নির্মাণে বানিজ্যের কথা অস্বীকার করে বলেন, তিনি সরকারি জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করছেন। শোকজের বিষয়ে কিছুই জানেন না তিনি।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।