রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে জেটি ঘাটের ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডার বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শনিবার, ১০ মে, ২০২৫, ৫:৫৯ পিএম
তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে জেটি ঘাটের ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডার বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন
49

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ভুমি মালিকদের স্বার্থ রক্ষার্থে ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডার বাতিল করে প্রকৃত ঠিকাদারকে বহাল রাখার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে ধানখালি ইউপির মরিচবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দারা।

আজ শনিবার দুপুর ১২টায় ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটি ঘাটে এ কর্মসূচি পালন করেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা। এসময় শত শত নারী,পুরুষ ও শিশুরা এতে অংশ গ্রহন করে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বর্তমান ঠিকাদারকে বাদ দিতে একটি মহল ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডার তৈরি করে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটি ঘাটের মালামাল লোড আনলোড করার কাজ বাগিয়ে নিতে চাচ্ছে। এটা সফল হলে এই এলাকার শতাধিক পরিবার না খেয়ে মরার উপক্রম হবে। কর্মহীন হয়ে পড়বে শতাধিক শ্রমিক। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের একান্ত হস্তক্ষেপে প্রকৃত ঠিকাদারকে বহাল রাখার দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।

মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারী মোঃ মন্টু ফকির বলেন, এখানে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার লোকজন মালামাল লোড আনলোড করার কাজ করছে। এখন যদি অন্য লোক এই কাজ বাগিয়ে নেয় তাহলে অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে না খেয়ে মরবে। তাই পূর্বের ঠিকাদারকে বহাল রাখার দাবি জানাই। কারণ তিনি এলাকায় ভিটামাটি হারানো লোকজন নিয়ে কাজ করে।

মোঃ হিরন খান বলেন, এখানে পুরুষদের পাশাপাশি অনেক নারী শ্রমিকরাও কাজ করে। এই কাজ ভুয়া একটি কাগজ বানিয়ে কেউ হাতিয়ে নিলে তা মেনে নেয়া হবে না। তাছাড়া এই তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে আমাদের সবার কমবেশি জমি অধিগ্রহণ হয়েছে। তাই আমরা যদি এই কাজে থাকতে না পারি তাহলে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটি ঘাটের মালামাল লোড আনলোড কাজ বন্ধ করে দেয়া হবে। প্রয়োজনে জীবন দেব তবুও কাজ করতে দেব না।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মিফতা ট্রেডার্সের প্রোপাইটর মোঃ শাহিন মৃধা জানান, এই কাজ পাওয়ার পর উক্ত এলাকার শতাধিক মানুষ নিয়ে কাজ করেছি। এখন একটি মহল প্রভাব খাটিয়ে ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডার তৈরি করে কাজটি বাগিয়ে নেয়, তাহলে এই এলাকার অনেক মানুষ বেকার হয়ে পড়বে। তাই কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি সঠিকভাবে বিবেচনা করে সিন্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানাই।

ওয়ার্ক অর্ডার নেওয়ার দাবীকৃত ব্যক্তি আমিনুল ইসলাম মহাসিন বলেন, আমি সকল প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন করে কাজ পেয়েিেছ। এখানে কোনো জালিয়াতি করা হয়নি। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীদের নিয়েই কাজ করবেন বলে জানান তিনি।

এবিষয়ে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত সিঙ্গাপুরি প্রতিষ্ঠান দাভাজুলি’র বরিশালের ডিজিএম অপারেশন লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোঃ মনির হোসেন বলেন, কাজ কে করবে না করবে এটা কোম্পানির বিষয়, তবে এলাকাবাসীর বিষয়টি আমি কোম্পানিকে জানাবো। তারা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিবে।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।