সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

রাজউকের পরিকল্পনাবিদ আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫, ৬:২৭ এম
রাজউকের পরিকল্পনাবিদ আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
46

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় শিল্প কারখানার অনুমোদন নিয়ে রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই অনুমোদনকে ঘিরে জনমনে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ক্ষমতাসীন একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর সহায়তায় এবং রাজউকের নিয়ম নীতি ভঙ্গ করে অবৈধ উপায়ে বসুন্ধরা গোল্ড রিফাইনারী নামে একটি কারখানার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা সম্পূর্ণভাবে আবাসিক পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত। রাজউকের নীতিমালা অনুযায়ী এই ধরনের এলাকায় কোনো শিল্প কারখানা বসানোর অনুমতি দেওয়া সম্পূর্ণ অবৈধ। তবে, আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন একটি চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তারা নিয়ম ভেঙে এই অনুমোদন দিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গোল্ড রিফাইনারীর মতো কারখানা বসানোর ফলে বায়ু ও শব্দ দূষণ এবং রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহারে স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হবে। অনেক বাসিন্দা ইতোমধ্যেই রাজউক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে তাদের অভিযোগ জমা দিয়েছেন। তারা আশঙ্কা করছেন, কারখানার দূষণ বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের জন্য শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি এবং ত্বকের রোগের ঝুঁকি বাড়াবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, এই অনুমোদন আদায়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রভাবশালী গোষ্ঠীর সহযোগিতায় আশরাফুল ইসলামসহ রাজউকের কয়েকজন কর্মকর্তা আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন। প্রক্রিয়ায় বেশ কয়েকটি অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

রাজউকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, “এই অনুমোদন নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত চলছে। প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তবে এলাকাবাসী এই বক্তব্যে সন্তুষ্ট নন এবং তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। বসুন্ধরার বাসিন্দারা ইতোমধ্যে সংগঠিত হয়ে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং প্রয়োজনে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, এই ধরনের কারখানা স্থাপন জনস্বাস্থ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করবে। বিশেষ করে বায়ুদূষণের কারণে শ্বাসযন্ত্রের রোগ, হাঁপানি এবং অন্যান্য শারীরিক জটিলতা বাড়বে।

এই ঘটনার পর সারা দেশের আবাসিক এলাকা পরিকল্পনা ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। যদি এলাকাবাসীর অভিযোগ ও উদ্বেগ উপেক্ষা করা হয়, তবে এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের হুমকিতে পরিণত হবে।

বসুন্ধরা এলাকায় শিল্প কারখানার অনুমোদন এবং আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।