বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩

সংবিধান সংশোধন হবে গণভোটে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৪:৪৭ এম
সংবিধান সংশোধন হবে গণভোটে
72

সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সংবিধানে বারবার কাটাছেঁড়া করে আসছে ক্ষমতাসীনরা। এক্ষেত্রে আবার আদালতকেও হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। সংবিধান সংশোধনে জনগণের মতামত কখনোই মূল্য পায়নি সরকারগুলোর কাছে। বিশেষ করে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের তিন মেয়াদে সংবিধানে সংশোধনী আনা হয়েছে একাধিকবার। আদালতের রায়ের খণ্ডিত অংশকে পুঁজি করে সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি তুলে দিয়ে নিজেদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করে শেখ হাসিনা সরকার। এতে জনমতের কোনো তোয়াক্কাই করা হয়নি। সেজন্য আগামীতে সংবিধানে কোনো সংশোধনী আনতে সংসদের পাশাপাশি গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামত নেওয়ার সুপারিশ করেছে সংবিধান সংস্কার কমিশন।

পূর্বঘোষিত সময় অনুযায়ী গত শনিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে চূড়ান্ত এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে আরও পাঁচটি কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করে সরকার। তার আগে গত ১৫ জানুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করে ছয়টি কমিশন। কমিশনগুলোর এসব প্রতিবেদন ও সুপারিশ নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ মাসের মধ্যভাগে এ সংলাপ হতে পারে। এসব বিষয়ে এরই মধ্যে একটি ঐকমত্য কমিশনও গঠন করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ কমিশনের প্রধান হিসেবে রয়েছেন।

অধ্যাপক আলী রীয়াজের নেতৃত্বাধীন সংবিধান সংস্কার কমিশনের ১৪৪ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনের ১৪ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘সংবিধান সংশোধনী’ অংশে বলা হয়, ‘সংবিধানের যে কোনো সংশোধনীতে উভয়কক্ষের দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার অনুমোদন প্রয়োজন হবে। প্রস্তাবিত সংশোধনী উভয়কক্ষে পাস হলে এটি গণভোটে উপস্থাপন করা হবে। গণভোটের ফলাফল সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।’

প্রতিবেদনে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার সুপারিশ করেছে কমিশন। আইনসভার নিম্নকক্ষের নাম হবে জাতীয় সংসদ এবং উচ্চকক্ষ হবে সিনেট। জাতীয় সংসদের আসন হবে ৪০০। এর মধ্যে ১০০ জন নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন থেকে নির্বাচিত হবেন। বাকি ৩০০ জন বিদ্যমান পদ্ধতিতে নির্বাচিত হবেন। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর ১০ শতাংশ প্রার্থী হতে তরুণ। নিম্নকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলই সরকার গঠন করবে। আর সরকার গঠনের ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষের সদস্য সংখ্যা প্রভাব ফেলবে না বলে উল্লেখ করা হয়।

অন্যদিকে ১০৫ জন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত হবে আইনসভার উচ্চকক্ষ। এর মধ্যে রাজনৈতিক দল প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষে ১০০ জন নির্বাচিত হবেন। অবশিষ্ট ৫টি আসন পূরণের জন্য রাষ্ট্রপতি নাগরিকদের মধ্য থেকে প্রার্থী মনোনীত করবেন, যারা কোনো কক্ষেরই সদস্য বা রাজনৈতিক দলের সদস্য নন। সংসদের উভয়কক্ষের মেয়াদই হবে চার বছর।

সুপারিশে আরও বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তি জীবনে দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক দলের প্রধান এবং সংসদ নেতা হতে পারবেন না। উভয়কক্ষে ডেপুটি স্পিকারের একটি পদ বিরোধী দল পাবে। নির্বাচনে প্রার্থিতার বয়স ২৫ থেকে কমিয়ে ২১ বছর নির্ধারণের সুপারিশ করেছে কমিশন।

সংবিধান সংস্কারে কেন গণভোট হওয়া উচিত এ বিষয়ে কমিশনের যুক্তি, ১৯৭২ সালের সংবিধানে প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে ১৭ বার পরিবর্তন করে একদলীয় ব্যবস্থা কিংবা সামরিক শাসনকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। গণতান্ত্রিক সংবিধানের নামে স্বৈরতান্ত্রিক সংবিধানে রূপ দেওয়া হয়েছে সংবিধানকে। এসব ঠেকাতেই জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়িয়ে গণভোটের কথা বলা হয়েছে। কারণ, একটি জাতি এই পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছে, সুতরাং তাদের কাছ থেকে অবশ্যই সংবিধান সংশোধনের মতো এত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের অনুমোদন নিতে হবে।

সংবিধান সংস্কারে গণভোট প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কমিশন প্রধান অধ্যাপক আলী রিয়াজ কালবেলাকে বলেন, সংবিধান সংশোধনে আমরা গণভোটের পক্ষে। কারণ, অতীতে জনগণের মতামতকে কোনো ধরনের আমলে না নিয়ে, জনমতকে উপেক্ষা করে শাসকরা নিজেদের ইচ্ছামতো সংবিধানকে কাটাছেঁড়া করেছে। ভবিষ্যতে আমরা সেটি আর দেখতে চাই না।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।