সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

ডেনমার্ক সরকারের আই এফ ইউ কর্তৃক এ কে এস খান ফার্মাসিউটিক্যালসে ১২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫, ৪:০৩ এম
ডেনমার্ক সরকারের আই এফ ইউ কর্তৃক এ কে এস খান ফার্মাসিউটিক্যালসে ১২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ
52

এ কে এস খান ফার্মাসিউটিক্যালস ডেনিশ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ফর ডেভেলপিং কান্ট্রিজ (আই এফ ইউ ) থেকে ১২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ পেয়েছে। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রিটেইল ফার্মেসি চেইন ৮০টি শাখা সম্প্রসারণ এবং ৩০টিরও বেশি নতুন ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালু করবে ।বুধবার রাজধানীর একটি তারকা হোটেলে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন একেএস হোল্ডিংস এর চেয়ারম্যান এ কে সামসুদ্দিন খান এবং আই এফ ইউ -এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সি ই ও ) লার্স বো বারট্রামসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এই গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ বাংলাদেশজুড়ে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রসারের ভিশন বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বাংলাদেশের মানুষের জন্য নতুন দিগন্ত কার্যকর চিকিৎসা এবং মানবস্বাস্থ্যের উন্নয়নের জন্য সময়োপযোগী ও নির্ভুল রোগ নির্ণয় অপরিহার্য। মানসম্পন্ন ওষুধের সহজলভ্যতা, রোগ নিরাময় ও চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে যা এ দেশের কোটি কোটি দীর্ঘস্থায়ী রোগীর জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করবে।
আই এফ ইউ -এর এই বিনিয়োগের ফলে এ কে পি এল আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতি বছরে ৮ মিলিয়ন রোগীর কাছে উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে। ফার্মেসি ও ডায়গনিস্টিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ ও বয়স্ক রোগীদের জন্য বাসায় এক্স-রে ও আল্ট্রাসাউন্ডের সুবিধা সরবরাহের মতো উদ্ভাবনী সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে ।
ঢাকার বাইরেও কোম্পানির পরিধি বৃদ্ধি হবে, যা দেশের সুবিধাবঞ্চিত জনগণের জন্য উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবে।
আই এফ ইউ -এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সি ই ও ) লার্স বো বারট্রাম বলেন, “স্বাস্থ্যসেবার সহজলভ্যতা একটি দেশের সামাজিক উন্নয়নের মূল ভিত্তি। এ কে পি এল -এর ফার্মেসি-নির্ভর প্রাইমারি কেয়ার মডেল এবং বিস্তৃত ডায়াগনস্টিক সেবা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে। আই এফ ইউ এই বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের একটি স্বাস্থ্যকর ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি, এটি আর্থিকভাবে লাভজনক একটি উদ্যোগ হিসেবে দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক হবে। এই উদ্যোগটি ১৯৬৭ সাল থেকে আই এফ ইউ -এর প্রভাবশালী বিনিয়োগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখছে, যা সবুজ রূপান্তরসহ অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবে।”

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।