সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ নেতা কাজী ওয়াহিদ হচ্ছেন রূপালী ব্যাংকের এমডি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৭:১০ এম
বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ নেতা কাজী ওয়াহিদ হচ্ছেন রূপালী ব্যাংকের এমডি
52

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান এমনি এমনি আসেনি। প্রায় দুই হাজার শহীদের আত্মত্যাগ এবং ১৮ হাজারের বেশি আহত মানুষ, যাদের অনেকেই পঙ্গুত্ববরণ করেছেন, চোখ হারিয়েছেন, পা হারিয়েছেন এই সবকিছুর বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আমাদের জুলাই বিপ্লব। এই বিপ্লব শুধু ফ্যাসিবাদের শৃঙ্খল ভেঙে দেওয়া নয়, এটি একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নের ভিত্তি গড়ে তোলা। কিন্তু আজ, মাত্র চার মাস পর, আমরা কি সেই স্বপ্ন ভুলতে বসেছি? ব্যাংকিং খাত ধ্বংসের মূল কারিগর সাবেক ব্যাংক ও আর্থিক বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলিমুল্লাহ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ গংদের আর্শিবাদ পুষ্ট ফ্যাসিবাদের সহযোগি রূপালী ব্যাংক ইউনিট ‘বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ’-এর সহ- সভাপতির কাজী মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সোনালী ব্যাংক কে রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে নিয়োগ । তিনি রূপালী ব্যাংকে কর্মরত থাকালীন বিভিন্ন শাখায় শাখা প্রধান ও ২য় কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন । রূপালী ব্যাংকের রমনা কর্পোরেট শাখা, ঢাকায় শাখা প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন না করার পরও সহকারী মহাব্যবস্থাপক কর্মরত অবস্থায় ডিএসএল সোয়াটারকে অবৈধ সুযোগ সুবিধা প্রদান করতে শাখা প্রধানকে সহযোগিতা করেন । অবৈধ এই সহযোগিতার জন্য ঋণটি ঝুঁকিপূর্ণ । আরও উল্লেখ্য যে, উক্ত ঋণের অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে যা ফ্যাসিস্ট সরকারের মূল কাজ ছিল । ঋণটি শ্রেনীকৃত আদায় অনিশ্চিত । যা বিভিন্ন অভ্যন্তরীন ও বানিজ্যিক অডিট আপত্তি তে উঠে এসেছে। তার একক অধিপত্য নিয়ে ঋণের কাজ করলেও তৎকালীন শাখা ব্যবস্থাপকরা আজ পেনশন না পেয়ে প্রধান কার্যালয়ে বিভিন্ন ফ্লোরে ঘোরাঘুরি করছেন। তাছাড়া উপ-মহাব্যবস্থাপক হিসাবে বৈদেশিক বানিজ্য কর্পোরেট শাখা, ঢাকায় শাখা প্রধান হিসাবে কর্মরত থাকাকালীন বিতরন কৃত সকল ঋণই খেলাপী ও আদায় অযোগ্য। যা বানিজ্যিক অডিট ও ব্যাংকের অডিট আপত্তিতে উঠে এসেছে। তাছাড়া মহাব্যবস্থাপক হিসাবে বিভাগীয় কার্যালয়, চট্টগ্রাম এ কর্মরত থাকাকালীন এসআলম এর বিভিন্ন ভৌতিক প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়েছেন। রাষ্ট্রয়াত্ত ব্যাংক গুলো রক্ষা করতে হলে আওয়ামীলীগের দোসর, দুর্নীতিবাজ, সুযোগ-সুবিধাভোগী এবং অসৎ কর্মকর্তাদের পুনঃ বহাল করার ফলে ‘ছাত্র-জনতার আত্মাহুতির মাধ্যমে অর্জিত নতুন স্বাধীনতা দুর্নীতিবাজদের হাতে চলে যাচ্ছে । কি পেলাম ফ্যাসিস্ট মুক্ত নতুন স্বাধীনতায় বিবেকের কাছে প্রশ্নই থেকে যাবে সকলের, আসলেই কি ফ্যাসিস্ট মুক্ত নতুন বাংলাদেশ তৈরি হয়েছে? তাহলে যাদের আত্মত্যাগে গণঅভ্যুত্থান হলো তাদের আত্মার কাছে কি জবাব দিবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।