সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

ঝুঁকি থাকা সত্বেও কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকদের সৈকত নিরাপত্তা নির্দেশনা নেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০২৪, ৩:৪১ পিএম
ঝুঁকি থাকা সত্বেও কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকদের সৈকত নিরাপত্তা নির্দেশনা নেই
46

দিনে দিনে সাগরকন্যাখ্যাত কুয়াকাটা সৈকতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে। সমুদ্রের তীরে এসে বালিয়াড়িতে পায়চারি করা ও উত্তাল ঢেউয়ে গা ভাসিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যকুল থাকে আগত পর্যটকরা। কিন্তু সৈকতে নামা ও গোসল করাটা যে বিপদজনক হয়ে উঠছে এটা জানে না আগত পর্যটকরা। পর্যটকরা হৈ হুল্লোড়ে মেতে উঠতে ব্যাকুল হয়ে পড়ে সৈকতে নামতে। সৈকতে নামতে গিয়ে পড়েন বিড়ম্বনায়। শিকার হন দূর্ঘটনার। ঝুঁকি থাকা সত্বেও কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকদের সৈকত নিরাপত্তা নির্দেশনাবলী না দেওয়া এবং সৈকতে যথেষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি থাকাই এর জন্য দায়ী বলে মনে করছে আগত পর্যটকসহ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে সৈকতে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে কুয়াকাটায় আগত পর্যটকসহ স্থানীয়রা। পর্যটকরা কোন ধরনের সতর্কতামূলক নির্দেশনা না দেখতে পেয়ে হুটহাট করে নেমে পড়ে সৈকতে। সৈকতে নামতে গিয়ে পড়ে গিয়ে শিকার হন দূর্ঘটনার। ফলে আনন্দ ভ্রমণটি মহূর্তে নিরানন্দে পরিনত হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে পবিত্র ঈদুল আযহার পর থেকে এ পর্যন্ত জিও ব্যাগের কারনে প্রায় ত্রিশজনের বেশি পর্যটক আহত হয়েছে। এর মধ্যে একজনের পা ভেঙে গেছে। বাকীরা গুরুতর আহত হয়েছে। অনেকেই আবার জিও ব্যাগের ফাঁকে চাপা খেয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সৈকতকে ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ব্যবহার করছে জিও ব্যাগ। এই জিও ব্যাগ পুরো সৈকতে এলোমেলো ভাবে পড়ে আছে। শেওলা জমে মৃত্যু ফাঁদে পরিনত হয়েছে এখন। কোথাও কোথাও সৃষ্টি হয়েছে গর্তের। ফলে আগত পর্যটকসহ স্থানীয়রা যখনি সৈকতে নামতে যায় তখনি বিপদের সম্মুখীন হয়। পর্যটকসহ স্থানীয়দের দাবী দ্রুত শেওলা দূর করার ব্যবস্থা ও সৈকতে পর্যটকদের সৈকত নিরাপত্তা নির্দেশনামূলক সতর্ক বার্তা,জোয়ার ভাটার তথ্য প্রচার করা, বৈরী আবহাওয়ার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা এবং সতর্ক সংকেত ও সংখ্যা দিয়ে বিপদের মাত্রা সংবলিত চিহ্ন সবাইকে অবহিত করা।

অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীদের অভিযোগ, কুয়াকাটায় আগত অনেক পর্যটক রয়েছে যারা কোন ধরনের সতর্কতা অবলম্বন না করেই হুটহাট করে সৈকতে নেমে পড়ে। যার ফলে এমন দূর্ঘটনার শিকার হন।

ব্রাহ্মণবাড়ীয়া থেকে আগত পর্যটক মো. হিমেল বলেন, আমি সৈকতে নামতে গিয়ে পড়ে গিয়ে পায়ে প্রচন্ড ব্যথা পেয়েছি। পা ফুলে গেছে। এই বিচে সতর্কতা সংবলিত লেখা থাকলে আমি সাবধানতা অবলম্বন করতাম। তাহলে আমার এ সমস্যা নাও হতে পারত।

ঢাকা থেকে আগত পর্যটক আবু নাসিম মুন্সি বলেন, সৈকতের অবস্থা দেখলে মনে ভয় কাজ করে। সমুদ্রের তীরে এসে যদি স্বাচ্ছন্দ্যে গোসল ও হাটা না যাওয়া যায় তাহলে সৈকতে কেন আসবে পর্যটক। জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে আশেপাশে সব যায়গায় জিও ব্যাগ ফালানো এবং সেটা পিচ্চিল হয়ে আছে। এটা দ্রুতই সমাধান না করা হলে পর্যটকের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।

পর্যটন ব্যবসায়ী মো. কে এম বাচ্চু বলেন, জিও ব্যাগ দিয়ে বেড়িবাঁধ সংরক্ষণের কাজ করা হয়েছে। এখন এগুলো পর্যটকদের কাছে আতংক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই জিও ব্যাগের কারনে আহত এবং নিহত হওয়ার ঘটনা সংগঠিত হয়েছে। ব্যবসায়ী হিসেবে জোর দাবী করছি যাতে পর্যটকরা সেভ জোন ও রিস্কি জায়গাগুলো নির্দেশনায় জানতে পারে তার ব্যবস্থা করা।

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা( টোয়াক) প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, ঝুঁকি মুক্ত সৈকত করা দরকার। পুরো সৈকতে এখন জিও ব্যাগ একটা আতংক হিসেবে কাজ করছে। গর্ত আর শেওলা হওয়ার কারনে প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা। সৈকতে নামার জন্য কয়েকটি আরো স্পট তৈরি করা দরকার বলে মনে করছি এবং স্থায়ী প্রকল্পের মাধ্যমে বেড়িবাঁধ সংরক্ষণ করে নান্দনিক বিচ করলে পর্যটক আসবে না হয় মূখ ফিরিয়ে নিবে পর্যটকরা কুয়াকাটা থেকে।

হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ বলেন,আমরা বিষয়টা নিয়ে ডিসি মহোদয় ও ইউ ও নো মহোদয়ের সাথে আলোচনা করব। নিরাপত্তা নির্দেশনা না দিলে পর্যটকরা জানবে কি করে কোন জায়গাটা রিস্ক ফ্রী। এটা দেওয়ার জরুরি হয়ে পড়ছে।

কলাপাড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব মো. রবিউল ইসলাম বলেন, পৌর মেয়র, কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ, হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা নিয়ে ইতিমধ্যে একটি মিটিংয়ের আয়োজন করছি সেখানে আলোচনা হয়েছে সৈকতে পর্যটকদের সৈকত নিরাপত্তা নির্দেশনা দেওয়ার। শ্রীঘ্রই এটি স্থাপন করা হবে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি সবার আগে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে একটি মিটিং হয়েছে আশা করি খুব কম সময়ের মধ্যে কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকদের সৈকত নিরাপত্তা নির্দেশনা সংবলিত লেখা সাটানো হবে।

মো. সাইদুর রহমান সাইদ
কলাপাড়া উপজেলা ( পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ এম
জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩২ পিএম
সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের সেবায় খুশি কলাপাড়ার সেবাগ্রহীতাগণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : কলাপাড়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সেবায় দিন দিন বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্তুষ্টি। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম সেবাগ্রহীতাদের যথাসময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ছিল— আগে দলিল নিবন্ধন, খতিয়ান যাচাই বা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্রে অযথা দেরি হতো। কিন্তু বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত থেকে নিজে তদারকি করছেন প্রতিটি কাজ।
একজন সেবাগ্রহীতা রিফাত হোসেন বলেন, “আগে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশনে অনেক সময় লেগে যেত। এখন খুব দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ শেষ হচ্ছে। কর্মকর্তা নিজে আমাদের সাথে কথা বলেন এবং সমস্যার সমাধান করে দেন।”

নতুন অফিস ও দ্রুত সেবা কার্যক্রম:

বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার হাত ধরে কলাপাড়ায় চালু হয়েছে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নতুন অফিস। এখানে সহজ ও দ্রুত পদ্ধতিতে দলিল যাচাই, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আগের তুলনায় দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে সেবা পাচ্ছেন।

একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, “নতুন অফিসে এসে বুঝতে পারছি কাজ কতটা সহজ হয়েছে, সিস্টেমে দ্রুত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যাচ্ছে, অতিরিক্ত ঝামেলা নেই।”

অন্য একজন জানান, “আগে দিনকে দিন ঘুরতে হতো। এখন একদিনেই কাজ শেষ হয়। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং সাহায্য করেন।”
অন্য একজন প্রবীণ নাগরিক ফুয়াদ হাসান জানান, “আমরা যে সেবা পাওয়ার কথা, তা এখন সহজে পাচ্ছি। সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের ব্যবহারও অত্যন্ত ভদ্র ও আন্তরিক।”
স্থানীয়দের মতে, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করেননি, বরং সরকারি সেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়াচ্ছেন।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা 

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫-২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার ক্যাম্পাস প্রতিনিধি এইচ এম সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক মানবজমিনের শিহাব আল নাসিম।

শুক্রবার (২৭ জুন) বাকসাস’র উপদেষ্টা পরিষদ এই কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মেহেদী হাসান তাওহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজকের কাগজের জিসান আহমেদ কাব্য, সাংগঠনিক সম্পাদক সময়ের কণ্ঠস্বরের এস এম মঈন এবং অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সংগ্রাম প্রতিদিনের আরমানুজ্জামান সৈকত।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি ক্যাম্পাসের কাজী আল তাজরীমিন, মানবতার কণ্ঠের রাসেল রানা ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিদিনের শান্তা আক্তার।

আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী এই কমিটি অনুমোদন করেন বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও আজকের পত্রিকার সিনিয়র অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আমানুর রহমান রনি, মোহনার টেলিভিশনের প্রধান প্রতিবেদক এবং বাকসাস’স প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম, বাকসাস’র সাবেক সভাপতি এবং এখন টেলিভিশনের অ্যাসিসট্যান্ট নিউজ এডিটর মো. নাজমুল হোসেন এবং বাকসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক (অনুসন্ধান) জাফর ইকবাল।